বাংলার গা‌ন সম্রাট আব্দুল জব্বারের আজ মৃত‌্যু বা‌র্ষিকী – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাবুধবার , ৩০ আগস্ট ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলার গা‌ন সম্রাট আব্দুল জব্বারের আজ মৃত‌্যু বা‌র্ষিকী

সম্পাদক
আগস্ট ৩০, ২০২৩ ১:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আরিফ নি‌শির ::

বাংলা গা‌নের সম্রাট আব্দুল জব্বার । স্বতন্ত্র গায়কীয় বৈ‌শি‌ষ্টের শিল্পী ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’সহ অসংখ্য কালজয়ী গানের জন‌‌্যই যেন শিল্পী আব্দুল জব্বারের জন্ম। তার মতো এমন একজন গায়ক হাজার বছরে আসে না। তার গাওয়া প্রায় সমস্ত গানই জনপ্রিয়। সেগুলো অনেক দিন ধরে টিকে আছে এবং বাংলা গান যতদিন থাকবে, আব্দুল জব্বারও ততদিন থাকবেন বলে আশা করা যায়। তার গান এতোই শ্রুতি মধুর।’

বুধবার (৩০ আগস্ট) বাংলা গানের কিংবদন্তি, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারকে হারানোর ছয় বছর। মৃত্যুবার্ষিকীতে এই কণ্ঠশিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে এবি‌সি চিাভ ও মু্ত বাংলা প্রকাশনা প‌রিবার।

‘বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের সেরা ২০ বাংলা গানের তিনটিই তাঁর গাওয়া। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠ যোদ্ধা ছিলেন আব্দুল জব্বার। তাঁর গাওয়া অসংখ্য গান মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। একজন গায়ক ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁর আলাদা মর্যাদা আছে। আবার স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও তাঁর অবদান কিন্তু কম না। আধুনিক গান, ছায়াছবির গান, দেশাত্মকবোধক গানসহ বিভিন্ন ধরনের গানে তার অবদান রয়েছে।’

আব্দুল জব্বার দীর্ঘদিন কিডনি, হার্ট, প্রস্টেট ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তিনি ১৯৩৮ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার গান গাওয়া শুরু ১৯৫৮ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে। প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য গান করেন ১৯৬২ সালে। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি বিটিভির নিয়মিত গায়ক হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৬৪ সালে জহির রায়হান পরিচালিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সংগম’-এর গানে কণ্ঠ দেন তিনি। এরপর ১৯৬৮ সালে ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায় সত্য সাহার সুরে তার গাওয়া ‘তুমি কি দেখেছ কভু’ গানটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৭৮ সালে ‘সারেং বৌ’ সিনেমায় আলম খানের সুরে তার গাওয়া ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ও প্রেরণা জোগাতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’সহ অসংখ্য গানে কণ্ঠ দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আব্দুল জব্বার হারমোনিয়াম নিয়ে কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে গান গেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করেন।

১৯৭১ সালে তিনি মুম্বাইয়ে ভারতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জনমত তৈরিতেও নিরলসভাবে কাজ করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে সেসময়ে গণসংগীত গেয়ে প্রাপ্ত ১২ লাখ রুপি দান করেছিলেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৮০ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।