গাজীপুরের টঙ্গীতে ব্যাংক মাঠ বস্তি ও হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যাবসা – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকারবিবার , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

গাজীপুরের টঙ্গীতে ব্যাংক মাঠ বস্তি ও হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যাবসা

রাজন ইসলাম রাজু
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২ ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় নাম করা উত্তর আরিচপুর কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাঠ বস্তি কয়েকটি ঘরে প্রকাশে চালিয়ে যাচ্ছে দেহ ব্যবসা।
এলাকাবাসীর সুত্রেে যানা যায় কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাঠ (ব্যাংকের মাঠ) বস্তিতে দির্ঘদিন যাবত অবৈধ ভাবে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা, দুর দুরান্ত থেকে মেয়েদের এনে পরিচালনা করছে এ ব্যবসা, সকাল থেকে গভির রাত পর্যন্ত রাস্তার পাশে দাড়িয়ে খদ্দের ধরে কয়েকজন নারী, ও পুরুষ, এমন ও অভিযোগ পাওয়া গেছে মেয়েদেরকে যদি ছেলেরা পছন্দ না করে তার পরও তাদের সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে। রাজি না হলে ছিনিয়ে নেওয়া হয় টাকা-পয়সাও মোবাইল । তার পাশাপাশি স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু লোক তাদেরকে শেলটার দেয় বলে জানায় বস্তিবাসী, এ সব মানুষের জন্য আজ সমস্থ বস্তিবাসী অপরাধীতে পরিনীত হয়েছে আর এ জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কে দায়ী করছে বস্তিবাসী।
ওপর দিকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনের পাশে হোটেল বিক্রমপুর ও হাবিব গেস্ট হাউজে চলছে দেহ ব্যবসা মাঝে মধ্যে আবাসিক হোটেল গুলোতে অভিযান পরিচালনা করলেও বস্তির ঘর গুলো রয়ে যায় ধরা ছুয়ার বাইরে।
পুলিশের উৎকচ দিয়ে দির্ঘদিন ধরে বস্তিতে চালিয়ে যাচ্ছে এই ব্যবসা।
বাংকমাঠ বস্তির হোসেনের বউ সেলিনা, মৃত সোলাইমান এর মেয়ে শেফালী, বাদল (একটি কিটনি না থাকায়) অনেকেই ডাকে কিটনি বাদল,সুজনের বউ আকলিমা হাবিব গেস্ট হাউজের মালিক হাবিবুর রহমান হাবিব,বিক্রমপুর আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার কাজল ও রেল স্টেশন এলাকায় কিছু দালাল চক্রটি প্রকাশেই করছে এই দেহ ব্যবসা আর তাদের সহোযোগিতা করছে আশপাশে থাকা কয়েকটি পরিবার। নিরীহ বস্তিবাসীরা যদি প্রতিবাদ করে তাহলে পুলিশের ভয় দেখিয়ে মামলা করার হুমকি দেয় বস্তিবাসীদের। টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনের পাশেই সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত বেশ কিছু পতিতা বসে থাকে খদ্দেরের সন্ধানে তাদের মধ্যে একজনের সাথে কথা বলে যানা যায় ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে, সারারাত নাইট থাকলে দিতে হয়, ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে তারা যে ঘরে কাজ করে সে ঘরের মালিককে দিতে হয় ২০০ টাকা যে কাস্টমার এনে দেয় তাকে দিতে ৫০টাকা আর পতিতারা ১০০/২০০ টাকা।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পৃর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ জাবেদ মাসুদের সাথে কথা বললে তিনি জানান তাদের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করছি আমরা মামলা দিয়ে কোটে চালান দেই তারা আবারও জামিনে ছারা পেয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন সুদু ব্যাংক মাঠ বস্তি নয় টঙ্গীর বিভিন্ন যায়গায় মাদক ব্যবসা সহ দেহ ব্যবসা চলছে। আমি যোগদানের পর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং এটা চলমান আছে।

উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে ব্যাংকমাঠ বস্তিতে প্রশাসন ও সরকারের সংস্লিষ্ট ব্যাক্তিদের অনুরোধ জানান বস্তিবাসী।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।