নির্বাচনে আসা বিএন‌পির নেতাদের ঘর বাইরে সব হারানোর শঙ্কা – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশনিবার , ২ ডিসেম্বর ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

নির্বাচনে আসা বিএন‌পির নেতাদের ঘর বাইরে সব হারানোর শঙ্কা

সম্পাদক
ডিসেম্বর ২, ২০২৩ ১:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন এবং শেখ হা‌নিার পদত‌্যাগ ও তত্বাবধায়ক সরকা‌রের  অধী‌নে নির্বাচ‌নের দাবী‌তে বিএন‌পি ও জোট আন্দোলন কর‌ছে। মা‌ঝে ম‌ধ্যেই ডাক দি‌চ্ছে হরতাল অব‌রোধ। এরই ম‌ধ্যে এই নির্বাচ‌নে অংশ নিতে বিএনপির কয়েকজন নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ১৪ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। কেননা, দলটি নির্বাচন করছে না। বহিষ্কার হওয়ায় নির্বাচনের মাঠে বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের তাঁরা পাশে পাচ্ছেন না। আবার সব আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় দলটির লোকজনও এইসব নেতার পাশে থাকবেন, মাঠে দাঁড়াতে দেবেন বলে মনে হচ্ছে না।

নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল গত বৃহস্পতিবার। এদিন সবচেয়ে বড় চমকটি দেখান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর। বাস পোড়ানোর মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-১  (রাজাপুর ও কাঠালিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি।

তবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন না বিএনপির স্থানীয় কোনো নেতা। আবার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে শাহজাহান ওমরের যোগদান নিয়ে দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি।

বৃহস্পতিবার রাতেই সংবাদ সম্মেলন করে শাহজাহান ওমরকে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহযোগী রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিম আকন।

রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ বলেন, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনিরকে নিয়ে নির্বাচনের ব্যাপারে অনড়। তারপরও যদি কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় তাহলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন। কিন্তু শাহজাহান ওমর বা দল থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ গত রোববার ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে বর্তমান সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনের নাম ঘোষণা করে। তাই শাহজাহান ওমরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার খবরে বিস্মিত দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন করছেন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার। নারায়ণগঞ্জ-৪ ও ৫ আসনে তৃণমূল বিএনপি থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপি ছেড়ে আসা আলী হোসেন ও আইনজীবী নেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ভূঁইয়া।

এই বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, ভাসানী ও আলীর কোনো কর্মী নেই। তৈমূর ভাই লোক খুঁজে পান না। তাই তাঁর জুনিয়র যেসব আইনজীবী ছিলেন, এদের ডেকে নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত বলেন, ‘বিএনপির নাশকতা ও জ্বালাও পোড়াও অনেকেই পছন্দ করেন না। সেই কারণে দল ত্যাগ করে তৈমূর আলম খন্দকারের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। নির্বাচনের মাঠেই প্রমাণ করার স্থান কে কতটা জনপ্রিয়।’

জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হোসেন রেজা বাবু তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এতে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব বলেন, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন রেজা বাবু তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, এটা তাঁরা জানতেন না। দলছুট নেতাদের বিষয়ে সতর্ক তারা।

ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গাইবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মাকছুদুর রহমান আনছারী বলেন, ‘একটা নতুন দলে যোগদান করে নির্বাচন করলে জনপ্রিয়তা পাওয়া কঠিন। সে যদি পারে তাহলে তার জায়গা করে নিবে।’

ময়মনসিংহ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সারোয়ার বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছাড়া সাংবিধানিকভাবে সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব নয়। তাঁকে কে বহিষ্কার করল না আবিষ্কার করল, তা ভাবার সময় নেই তাঁর।

ফুলপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম রাসেল বলেন, ‘শহীদ সারোয়ারকে নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। যেহেতু সে একটা দল থেকে বের হয়ে এসে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে সেহেতু জনসমর্থন তার কতটুকু আছে তা নির্ভর করবে প্রতীক বরাদ্দের পর।’

একসময়ে ছাত্রদল নেতা মতিউর রহমান মন্টু বিএনপি ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে (বিএনএম)। রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী তিনি। বিএনপি ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অশিক্ষিত-মূর্খ লোকের নেতৃত্বে রাজনীতি করা যায় না। তারা কথা বলা জানে না। যেখানে যায়, সেখানেই একটা করে মামলা খায়। এটা তো হয় না।’

এই বিষয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, ‘মন্টু সুযোগসন্ধানী লোক। সরকারের ফাঁদে পা দিয়ে এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।