গাজীপুরে কথিত সভাপতির অবৈধ হাসপাতাল গুড়িয়ে দিল প্রশাসন – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাবুধবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজীপুরে কথিত সভাপতির অবৈধ হাসপাতাল গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

মোঃজসিম উদ্দিন
সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন’র গাজীপুর মহানগর শাখার সভাপতি পরিচয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যালয়ের নাকের ডগায় বসে বে-আইনি ভাবে হাসপাতাল চালিয়ে আসতে পারলেও স্থাপনাটি খাস জমিতে থাকার কারণে, সরকারি ভূমি দখলের অভিযোগে জেলা প্রশাসনের অভিযানে গুড়িয়ে দেয়া হলো। গাজীপুর নগরীর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ রোডের কে. কে. হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সারা দিন ব্যাপি, সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় অভিযান চালান গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মারুফ দস্তেগীর।

জানা যায়, পরিবহন ব্যবসা গুটিয়ে কে. কে. হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবের পরিচালক কাজিমউদ্দিন কাজী বেশ পরিকল্পনা করেই আসেন হাসপাতাল ব্যবসায়, টার্গেট সদর হাসপাতাল খ্যাত শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী বাগিয়ে টেষ্ট বাণিজ্য ও হাসপাতাল মালিক সমিতির নেতা বনে যাওয়া।

সরকারি খাস জমিতে গড়ে তোলা ‘হাসপাতাল’র মালিক পরিচয়ে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতার সহোচর পরিচয়ে কৌশলেই গাজীপুরের কয়েকটি অবৈধ হাসপাতাল মালিকদের সাথে নিয়ে ‘বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন’র নাম ব্যবহার করে গড়ে তোলেন গাজীপুর জেলা ও মহানগর শাখা, যার মহানগরের সভাপতিও বনে যান কাজিমউদ্দিন।

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেয়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অত্র বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন’র মহানগর পর্যায়ে কমিটি দেয়ার নিয়ম না থাকা সত্ত্বেও কিভাবে কাজিমউদ্দিন গাজীপুর মহানগরের সভাপতি হলো এবং গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করে কিভাবে এসোসিয়েশনের সদস্য হলো তা নিয়ে রয়েছে হাসপাতাল মালিক সমাজে নানা জল্পনা।

নিজ হাসপাতাল উচ্ছেদ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজিমউদ্দিন কাজী জানান, ‘সরকারের প্রয়োজন তাই নিয়ে যাচ্ছে , কি আর করার।’

অভিযানে প্রতক্ষ্যদর্শী জালাল উদ্দিন জানান, ‘কে. কে. হাসপাতালের মালিকের আরো দুইটা অবৈধ ডায়াগনস্টিক ল্যাব আছে, বেশি বলা যাবেনা তাহলে আমার ক্ষতি করবে।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মারুফ দস্তেগীর জানান, ‘খাস জমিতে স্থাপনা থাকায় আমরা কে. কে. হাসপাতাল সহ আসপাশের স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি, এরপরে যদি আবারো দকলের চেষ্টা করে তাহলে আমরা জেল জরিমানা সহ আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিব।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।