সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন : জেলা আ.লীগ সভাপতি-সম্পাদকের বহিষ্কার চাইলেন ‘বহিষ্কৃত’ নূরুল হুদা – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকামঙ্গলবার , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন : জেলা আ.লীগ সভাপতি-সম্পাদকের বহিষ্কার চাইলেন ‘বহিষ্কৃত’ নূরুল হুদা

সম্পাদক
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২ ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খায়রুল কবির। নূরুল হুদা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। গত নির্বাচনেও তিনি দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নূরুল হুদা বলেন, কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেই। তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করা সভাপতি–সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি কোনো চিঠি পাননি। চিঠিতে লেখা, ১৭ সেপ্টেম্বর নাকি জেলা কমিটির সভা হয়েছে। ওই সভাতে নাকি তাঁকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আসলে জেলা কমিটির কোনো সভা হয়নি। তাঁকে কেউ অনুরোধও করেননি। এমনকি কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো নির্দেশনা পাননি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এসব নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।

নির্বাচনে ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত করতে তাঁরা ষড়যন্ত্র করছেন। আমি মাঠে আছি, মাঠে থাকব।

গত জেলা পরিষদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে নূরুল হুদা বলেন, ওই নির্বাচনে সভাপতি তাঁর পক্ষে ছিলেন। প্রকাশ্যে সভায় বক্তব্য দিয়েছেন। আর সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের গত নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে মাঠে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। তিনি কখনো নৌকার বিরোধিতা করেননি। এখনো করছেন না। তাই দলের গঠনতন্ত্র ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দল থেকে বহিস্কারের দাবি নূরুল হুদার।

এবারও নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন দাবি করে নূরুল হুদা বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত করতে তাঁরা ষড়যন্ত্র করছেন। আমি মাঠে আছি, মাঠে থাকব।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শংকর চন্দ্র দাস, আইনবিষয়ক সম্পাদক আবদুল করিম, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক সীতেশ তালুকদার, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আজাদুল ইসলাম, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী, জেলা কমিটির সদস্য কল্লোল তালুকদার ও অমল কান্তি কর।

সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, ‘আমরা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর পরামর্শে এই পদক্ষেপ নিয়েছি। যা–ই করা হয়েছে, সেটা গঠনতন্ত্র মোতাবেক করা হয়েছে।’ নূরুল হুদার অভিযোগ প্রসঙ্গে মতিউর রহমান বলেন, ‘আমি আমার ৬৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কখনো দলের আদর্শ ও সিদ্ধান্তের বাইরে যাইনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়েই আওয়ামী লীগ করছি। এখন কে কী বলল, সেটিতে আমার কিছু যায় আসে না।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।