অভিনব কৌশলে পিন চে‌ঞ্জের কথা ব‌লে একাউন্ট হ‌্যাকার‌দের ২ সদস‌্য গ্রেফতার – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশুক্রবার , ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অভিনব কৌশলে পিন চে‌ঞ্জের কথা ব‌লে একাউন্ট হ‌্যাকার‌দের ২ সদস‌্য গ্রেফতার

বার্তা কক্ষ
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ::

হ্যালো, কমিউনিটি ব্যাংক থেকে বলছি। আপনার অ্যাকাউন্টের চার ডিজিটের পিনটি পরিবর্তন করে ছয় ডিজিটের পিন সেট করতে হবে। না হলে আমার কার্ডটি বন্ধ হয়ে যাবে— এভাবেই প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের সকল তথ্য নিয়ে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা। এদের একজন রবিউল মিয়া, অন্যজন নজরুল ইসলাম। দুজনের বাড়িই ফরিদপুর।

সিআইডি জানায়, বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে ভিসা ও মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো দেশে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট, কেনাকাটা, এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ও মোবাইল রিচার্জসহ বিভিন্ন কাজ করা যায়। এই কার্ড ব্যবহার করে মোবাইল ফাইন্যাসিয়াল সার্ভিস বিকাশ অ্যাকাউন্টেও টাকা যুক্ত করা যায়। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কার্ড ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল একটি প্রতারক চক্র। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মাস্টার কার্ড ও ভিসা কার্ডধারীদের অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে অর্থ হাতিয়ে প্রতারণা চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন, মো. রবিউল মিয়া এবং নজরুল ইসলাম। তাদের হেফাজত থেকে ৫টি মোবাইল ফোন এবং সংযুক্ত ১০টি সিম জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত সিমগুলোর অধিকাংশই ভুয়া ব্যাক্তিদের নামে নিবন্ধিত।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আজাদ রহমান জানান, কার্ড জালিয়াতির কয়েকটি ঘটনায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়েছে। সিআইডি সাইবার ইন্টেলিজেন্স টিম মামলাগুলোর ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং এ চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। পরে দিনাজপুর জেলায় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রবিউল মিয়া এবং নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তাদেরকে দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করা হলেও তাদের দুজনের স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানায়। তারা দুজন আত্মীয়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতেই তারা দিনাজপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে প্রতারণার কাজ করে আসছিল।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে আজাদ রহমান বলেন, এ চক্রের এক সদস্য বিভিন্ন কার্ডধারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে অপরজনের কাছে পাঠায়। তারা কমিউনিটি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের কর্মকর্তা সেজে ভিসা এবং মাস্টার কার্ড ব্যবহারকারীদের নাম্বারে ফোন দিয়ে তথ্য হালনাগাদ, কার্ডের পিন নম্বর চার ডিজিটের পরিবর্তে ছয় ডিজিট ও ইমেইল আপডেট না করার কারণে কার্ডের কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে বলে তাদের বিভ্রান্ত করেন। অনেক কার্ডধারী অ্যাকাউন্টে বেশি টাকা থাকায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে প্রতারকদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন। এভাবে সংগৃহীত তথ্য থেকে ১৬ ডিজিটের কার্ডের নম্বর, কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, কার্ডের বিপরীত পাশে উল্লিখিত ৩ ডিজিটের সিকিউরিটি পিন নম্বর নম্বর সংরক্ষণ করেন এবং পরে গ্রাহকদের কাছে ওটিপি পাঠান। কৌশলে পাঠানো ওটিপি সংগ্রহ করে বিকাশ অ্যাপে ঢুকে অ্যাড মানি অপশনের কার্ড টু বিকাশের  মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেন।

সিআইডির মুখপাত্র বলেন, মাস্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড প্রতারণায় একাধিক ধাপে কয়েকটি তথ্যের প্রয়োজন হয়। যেমন, কার্ড নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, নিরাপত্তা পিন নাম্বার, ওটিপি কোড ইত্যাদি। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, নিজের পাসওয়ার্ড ও ওটিপি কখনোই কারো সঙ্গে এমনকি সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও শেয়ার করা উচিত নয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।