মসলিনের জিআই ভারতের দাবির বিষয়ে আপত্তি জানাতে হবে বাংলাদেশকে : দেব‌প্রিয় – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশনিবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মসলিনের জিআই ভারতের দাবির বিষয়ে আপত্তি জানাতে হবে বাংলাদেশকে : দেব‌প্রিয়

বার্তা কক্ষ
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪ ৮:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সভার বিষয়বস্তু ছিল ‘টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি: প্রক্রিয়া, পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের করণীয়।’ আলোচনায় অংশ নিয়ে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘বেঙ্গল মসলিনকে জিআই পণ্যের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জার্নাল প্রকাশ করেছে ভারত। বাংলাদেশের মসলিনের সঙ্গে ভারতের “বেঙ্গল মসলিনের” পার্থক্য কোথায়? তাই দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশের আপত্তি জানানো উচিত।’

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই দাবির ক্ষেত্রেও ভারত অসত্য তথ্য ব্যবহার করেছে বলে উল্লেখ করেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘ভারত টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই নিয়ে যে তথ্য দিয়েছে তাতে বলেছে, বসাক তাঁতিরা পশ্চিমবঙ্গে এ শাড়ি তৈরি শুরু করে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে তো সব বসাকরা চলে যায়নি। এর পাশাপাশি এখানকার মুসলিমরাও এ শাড়ি তৈরি করে। ভারত টাঙ্গাইল শাড়ির যে বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছে, সেটিকে তারা আমাদের টাঙ্গাইল শাড়ি থেকে আলাদা বলছে। তাহলে তাদেরকে সেভাবেই নামকরণ করতে হবে। এছাড়া তাদের ওখানে টাঙ্গাইল নামেও কোনো স্থান নেই। এসব বিবেচনায় ভারতের দাবি যৌক্তিক নয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫০ হাজার টাঙ্গাইল শাড়ি ভারতে রফতানি হয় বলে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নিজেদের এত বড় বাজার হারালে গরিব তাঁতিদের জন্য তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।’

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশ উচ্চতর মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। সেজন্য মেধাসম্পদের দিকে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। টাঙ্গাইল শাড়ির মতো বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে। টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভারতের আদালতে আইনি লড়াই চালাতে হবে। এছাড়া মসলিন ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে এখনো নিবন্ধিত হয়নি। এ নিয়েও আপত্তি জানাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের অতি দ্রুততার সঙ্গে পেটেন্ট রেজিস্টার করতে হবে। তবে অবশ্যই সততা ও যত্নের সঙ্গে সেটি করতে হবে। জনমানুষের ক্ষোভ নিবারণের জন্য তাড়াহুড়ো করে করলে ঝামেলায় পড়ে যাব। এছাড়া ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনারের উচিত আইনজ্ঞ নিয়োগ করে ভারতের আইনে তাদের আদালতে মামলা করা। ভারতের জিআই জার্নাল মনিটরিং করতে হবে নিয়মিত। একই সঙ্গে জেনেভার বাংলাদেশ মিশনের উচিত বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা।’

আলোচনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন ও সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।