সরকা‌রের ব‌্যাংক ঋ‌নের প‌রিমান বাড়‌ছেই – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকারবিবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

সরকা‌রের ব‌্যাংক ঋ‌নের প‌রিমান বাড়‌ছেই

সম্পাদক
ডিসেম্বর ২৫, ২০২২ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

অর্থনৈ‌তিক প্রতি‌বেদক  ::

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, সুদের হার হ্রাস ও নানা কড়াকড়ির কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি তলানিতে নেমে এসেছে। সে কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ অন্যান্য খরচ মেটাতে এই খাত থেকে কোনো ঋণ নিতে পারছে না সরকার। উল্টো ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধ করতে হচ্ছে। আশানুরূপ বিদেশি ঋণ-সহায়তাও আসছে না। আর তাতে বাধ্য হয়ে সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে।

ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ছেই। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে সরকার ব্যাংক থেকে ৩১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।

গত ২০২১-২২ অর্থবছরের এই পাঁচ মাসে ব্যাংক খাত থেকে ১৭ লাখ ৮২৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ এই অর্থবছরের সাড়ে চার মাসে (১ জুলাই থেকে ১৫ নভেম্বর) এই ঋণের পরিমাণ ছিল ২৭ হাজার কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, সুদের হার হ্রাস ও নানা কড়াকড়ির কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি তলানিতে নেমে এসেছে। সে কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ অন্যান্য খরচ মেটাতে এই খাত থেকে কোনো ঋণ নিতে পারছে না সরকার। উল্টো ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধ করতে হচ্ছে। আশানুরূপ বিদেশি ঋণ-সহায়তাও আসছে না। আর তাতে বাধ্য হয়ে সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, নভেম্বর শেষে সরকারের ব্যাংকঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। গত ৩০ জুনে যা ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। এ ঋণের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ। আলোচ্য সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হয়েছে ৩৩ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। প্রচলিত ব্যাংকগুলোকে আগে নেয়া ঋণের দুই হাজার কোটি টাকার মতো ফেরত দেয়া হয়েছে।

অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মুক্ত বাংলা‌কে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ বেড়ে যাওয়ায় একদিকে মুদ্রা সরবরাহ বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি চাপ বাড়ছে মূল্যস্ফীতির। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশি পুঞ্জীভূত ঋণ বেড়ে যাওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে সুদ ব্যয়। প্রতিবছরই বেড়ে যাচ্ছে ঋণ পরিশোধের ব্যয়। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ছে। আর বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। উচ্চ সুদে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেয়ার পাশাপাশি ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেয়ায় প্রতিবছরই বাড়ছে সুদ ব্যয়।’

চলতি অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮০ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা, যা আগের বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ছিল ৬৮ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। এ সুদ ব্যয় অনুন্নয়ন বাজেটের একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ২ শতাংশ, যা চলতি অর্থবছরেও একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ ছিল ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এ হিসাবে এক বছরে ঋণ পরিচর্চা বাবদ সুদ ব্যয় বাড়ছে ১১ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা, যা শতকরা হিসেবে প্রায় ১৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। সুদ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে যে হারে ঋণ নিচ্ছে তার বেশির ভাগ পরিশোধ করতে হচ্ছে ঋণের সুদে।

আহসান মনসুর বলেন, ‘সরকারের রাজস্ব আদায়ে তেমন গতি নেই। অন্যদিকে কমছে না সরকারের ব্যয়। বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হচ্ছে। এ জন্য সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে গেলে মানুষের দুর্ভোগও বেড়ে যাবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে বাজারে সরাসরি মুদ্রা সরবরাহ বেড়ে যায়। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ ‘হট মানি’ হিসেবে পরিচিত। এক টাকা ছাড়লে পাঁচ গুণ মুদ্রা সরবরাহ বাড়ে। মুদ্রা সরবরাহ বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতি উসকে যায়, কিন্তু ব্যয় নির্বাহে প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান করতে না পেরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার।

সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় কম হয়েছে।

অন্যদিকে সঞ্চয়পত্র বিক্রি তলানিতে নেমে এসেছে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ৬৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঋণাত্মক (নেগেটিভ) হয়েছে। অর্থাৎ এই চার মাসে যত টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, তা দিয়ে গ্রাহকদের আগে বিনিয়োগ করা সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। উল্টো ৬৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা সরকার তার কোষাগার থেকে অথবা ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শোধ করেছে।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ধরেছে সরকার। আর সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার। এর বিপরীতে প্রথম চার মাসে এই খাত থেকে কোনো ঋণ পায়নি সরকার, উল্টো ৬৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা কোষাগার থেকে অথবা ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শোধ কর‌ছে না।

মেট্রোরেল চালুর সময়ে এডিপি বাস্তবায়নে হতাশা  
মেট্রোরেল নিয়ে ঢাকায় উৎসবের আমেজ থাকলেও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি মন্থর। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) মোট এডিপির মাত্র ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ৪৭ হাজার ১২২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে বাস্তবায়নের এই হার ছিল ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।

আর মাত্র তিন দিন পর বাংলাদেশের মানুষের আরেকটি স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। পদ্মা সেতু পর এবার চালু হচ্ছে বহুল প্রতিক্ষিত মেট্টোরেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮ ডিসেম্বর বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে মেট্রোরেল চলাচল উদ্বোধন করবেন।

রাজধানীর উত্তরা (দিয়াবাড়ি) থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার পথে মেট্রোরেল লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। বুধবার উদ্বোধন করা হবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের, যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

তবে মেট্রোরেল নিয়ে ঢাকায় উৎসবের আমেজ থাকলেও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি মন্থর। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) মোট এডিপির মাত্র ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ৪৭ হাজার ১২২ কোটি টাকা। গত ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে বাস্তবায়নের এই হার ছিল ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।

অর্থাৎ গত অর্থবছরে জুলাই-নভেম্বর সময়ে মোট এডিপির ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ অর্থ খরচ করেছিল সরকার। এবার একই সময়ে ব্যয় হয়েছে ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ।

অবশ্য সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবয়নে এই ধীরগতির জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেকে ‘দায়ি’ করছেন সরকারের নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা। তারা বলেছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপে। সেটি সামাল দিতে ব্যয় সংকোচন করছে সরকার। তার প্রভাব পড়েছে এডিপি বাস্তবায়নে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ বা আইএমইডি’র সবশেষ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে এডিপির আওতায় উন্নয়ন কার্যক্রমে সরকার যে বরাদ্দ দিয়েছে, নভেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ পাঁচ মাসে তার মাত্র ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ৪৭ হাজার ১২২ কোটি টাকা।

চলতি বাজেটে বিভিন্ন সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নসহ ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন দেয় সরকার। অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) এই টাকার মধ্যে ৪৭ হাজার ১২২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এ হিসাবেই ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ খরচ হয়েছে, যা গত ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায়ও কম। করোনা মহামারির মধ্যেও গত অর্থবছরের একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছিল ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।

মেট্রোরেল চালুর সময়ে এডিপি বাস্তবায়নে হতাশা এডিপি বাস্তবায়নের ধীরগতি প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আড়াই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি ওলট-পালট হয়ে গেছে। তার প্রভাব আমাদের এখানেও পড়েছে। তবে অনেক দেশের চেয়ে এখনো আমরা ভালো আছি। মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হয়েছে। ব্যয় সংকোচনের কারণে আমরা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে কম মনোযোগ দিচ্ছি। সে কারণে হয়তো আগের তুলনায় খরচ একটু কম হয়েছে। তবে অর্থবছর শেষে দেখবেন, ঠিকই ৯০ শতাংশের বেশি বাস্তবায়ন হবে।’

আইএমইডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে গুরুত্বপূর্ণ ১৫ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৯ শতাংশ বরাদ্দ বাস্তবায়ন করেছে সেতু বিভাগ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রায় ৩০ শতাংশ বরাদ্দ বাস্তবায়ন করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, আর বিদ্যুৎ বিভাগ তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ বরাদ্দ বাস্তবায়ন করতে পেরেছে।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বাস্তবায়ন করেছে বরাদ্দের ২৫ শতাংশ, স্থানীয় সরকার বিভাগ ২১ শতাংশ, রেল মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে বরাদ্দের ২০ শতাংশ করে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে এই হার ১৯ শতাংশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় করেছে ১৮ শতাংশ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ১৫ শতাংশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় করেছে ১১ শতাংশ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে ১০ শতাংশ। বরাদ্দের দিক দিয়ে বড় মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বরাদ্দ ব্যয় করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস পর্যন্ত এডিপির অর্থ ব্যয়ে পিছিয়ে থাকার বিষয়ে আইএমইডির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকেই বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের উদ্যোগ থাকায় বিদেশি পণ্য আমদানি করতে হয় এমন প্রকল্প বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। আবার অনেক সময় প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ঠিক থাকলেও প্রকল্পের অর্থ ছাড় না হাওয়ার কারণেও বাস্তবায়ন কম দেখানো হয়। সে রকম কয়েকটি প্রকল্পও আছে।’

অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মুক্ত বাংলা‌কে বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব আসলে অর্থনীতির সব জায়গাতেই লেগেছে। যুদ্ধের ধাক্কা সামাল দিতে সরকার ব্যয় সংকোচনের পথ বেছে নিয়েছে। অতিপ্রয়োজন ছাড়া অন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ অন্য দাতাদের ঋণ-সহায়তা ছাড় কমে যাওয়ায় তাদের সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নও থেমে আছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।