পাসপোর্ট করতে বেনজীরের নজিরবিহীন জালিয়াতি  – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাসোমবার , ৩ জুন ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

পাসপোর্ট করতে বেনজীরের নজিরবিহীন জালিয়াতি 

বার্তা কক্ষ
জুন ৩, ২০২৪ ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ::

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর  আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘পাসপোর্ট করতে বেনজীরের নজিরবিহীন জালিয়াতি, মিথ্যা পরিচয়ে বিশ্বভ্রমণ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাবেক এই আইজিপি পাসপোর্টে আড়াল করেছেন পুলিশ পরিচয়। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে নীল রঙের অফিশিয়াল পাসপোর্ট করেননি। সুযোগ থাকার পরও নেননি ‘লাল পাসপোর্ট’। কেন নেন‌নি ? সে প্রশ্ন ক‌রে অ‌ভিজ্ঞমহল বল‌ছে, দুর‌ভিস‌ন্ধি তার প‌রিক‌ল্পিত যা এইভা‌বে সরকা‌রি পাস‌পোর্ট না নেয়া প্রমাণ ক‌রে।

বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে সাধারণ পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেও আশ্রয় নিয়েছেন নজিরবিহীন জালিয়াতির।

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের আলোচিত দুই ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফ যে প্রক্রিয়ায় পাসপোর্ট করেছিলেন, সেই একই কায়দায় পাসপোর্ট নেন বেনজীর।

নবায়নের সময় ধরা পড়লে আটকে দেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। চিঠি দেওয়া হয় র‌্যাব সদর দপ্তরে। কিন্তু অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ম্যানেজ করেন সব। পাসপোর্ট অফিসে না গিয়ে নেন বিশেষ সুবিধা।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের মতে, সরকারি কর্মকর্তারা পূর্বানুমোদন ছাড়া বিদেশে যেতে পারেন না। এটা এড়ানোর জন্য সরকারি চাকরির তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট নেওয়াটা একটা কারণ।

অন্য কারণ হচ্ছে-বেসরকারি চাকরিজীবী হিসাবে তিনি যতটা সহজে বিদেশে ভ্রমণ, বিনিয়োগ ও স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাবেন, সরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে অফিশিয়াল পাসপোর্ট করলে সেই সুযোগ পাবেন না।

কাজেই ভয়াবহ ধরনের অপরাধের পরিকল্পনা যে তার শুরু থেকেই ছিল, এটা তারই পরিচায়ক বলে ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন।

সাবেক এই আজিপির দুর্নীতির প্রসঙ্গে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘ACC finds more land, asset of ex-IGP Benazir, family’ অর্থাৎ, ‘সাবেক আইজিপি বেনজীরের পরিবারের আরও জমি, সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুদক কর্মকর্তারা বেনজির ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রায় ৫০ বিঘা জমির তথ্য পেয়েছেন এবং ঢাকার উত্তরা ও ভাটারা এলাকায় যথাক্রমে দুটি সাততলা ভবন শনাক্ত করেছেন।

২০১৬ সালে জমির দাম বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা হলে বেনজীর আহমেদ ওই এলাকায় জমি কেনা শুরু করেন।

কিন্তু দলিলপত্রে তিনি জমির দাম কম দেখিয়েছেন বলে দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এদিকে ভাটারার ভবনটি সম্প্রতি বিক্রি করা হয়েছে বলে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বেনজির আহমেদের ব্যাংক হিসাব জব্দের আগে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তাদের গাফিলতি খুঁজে পেয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

দুদক জানায়, বেনজিরসহ অন্যদের অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেলে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তার সম্পদের সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এরমধ্যে বেনজির বর্তমানে কোথায় আছেন সেই বিভ্রান্তির মধ্যে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি এখন বিদেশে থাকতে পারেন।

তিনি দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে দেশে ফিরতে হবে, সরকার এ বিষয়ে আপস করবে না বলেও তিনি জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।