কঙ্কনা‌কে চড়ড় মেরে বরখাস্ত কুলবিন্দর – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশুক্রবার , ৭ জুন ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

কঙ্কনা‌কে চড়ড় মেরে বরখাস্ত কুলবিন্দর

বার্তা কক্ষ
জুন ৭, ২০২৪ ৫:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভাস্কর সরকার ::

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে হেনস্থার শিকার হয়েছেন ভারতের নির্বাচনে সদ্য বিজয়ী সংসদ সদস্য ও বলিউড তারকা কঙ্গনা রানাউত। বিমানবন্দরে তাকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে কুলবিন্দর কৌর নামক এক নারী নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে।

মূলত এদিন হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি কেন্দ্র থেকে জয়ের পরে দিল্লি যাচ্ছিলেন কঙ্গনা। দুপুর সাড়ে ৩টা নাগাদ চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। কুলবিন্দর নামের ওই নিরাপত্তারক্ষীকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় এফআইআরও করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তের জন্য সিআইএসএফের পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন হয়েছে। কিন্তু কোন ক্ষোভ থেকে কঙ্গনার সঙ্গে এই কাণ্ড করলেন কুলবিন্দর? তা নিয়ে চলছে এখন নানান জল্পনা!

ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, কৃষকদের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্যের জেরেই বিজেপি সাংসদকে চড় মেরেছেন ওই সিআইএসএফ জওয়ান (নিরাপত্তারক্ষী)। আবার অন্য আরেকটি অংশের দাবি, সিকিউরিটি চেকিংয়ের সময় দুজন বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। আর তা থেকেই চড়কাণ্ডের সূত্রপাত।

গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের মাঝে শাম্ভু সীমান্তসহ ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রান্তে টিকরি বা সিঙ্ঘু সীমানা থেকে বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল কৃষকদের ডাকা ‘দিল্লি চলো’ অভিযানের জেরে। আন্দোলনকারী কৃষকদের প্রতিহত করতে কংক্রিট ও লোহার ব্যারিকেড, জলকামান, ড্রোন ব্যবহার করে ছোড়া কাঁদানে গ্যাসের শেল ব্যবহার করা হয়। এই আন্দোলনের মূল দাবিগুলো ছিল ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি নিশ্চয়তা (এমএসপি), কৃষি ঋণ মকুব এবং স্বামীনাথন কমিশনের সমস্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন, পুলিশ মামলা প্রত্যাহার এবং লখিমপুর খেরি সহিংসতার শিকারদের জন্য ন্যায়বিচারের জন্য আইনি গ্যারান্টি ইত্যাদি।

তখন সেসব কৃষককে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত। এক্সে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘যারা এই সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থন করছেন বা উসকানি দিচ্ছেন, তাদের প্রত্যেককে জেলে পাঠানো উচিত। এর আগে এ ধরনের সন্ত্রাসের ভয়েই নাগরিকত্ব অধিকার আইন কার্যকর করা যায়নি। আমি নিশ্চিত, কৃষি আইনও এভাবেই আটকে যাবে। ভোট দিয়ে আমরা জাতীয়তাবাদী সরকার এনেছি ঠিকই। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিবারই জিতে যাচ্ছেন এই জাতীয়তাবাদবিরোধীরাই।’

পুরুষ কৃষকদের পাশাপাশি নারীরাও সে সময় আন্দোলনে নেমেছিলেন। আর আন্দোলনরত নারীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। ‘নারীরা ১০০ রুপির জন্য কৃষকদের প্রতিবাদে যোগ দিয়েছেন’ অভিনেত্রীর এমন মন্তব্য সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, চড়কাণ্ডের সূত্রপাত সেখান থেকেই।

এদিকে ঘটনার পর ওই নারী নিরাপত্তারক্ষীর একটি ভিডিও হয়েছে ভাইরাল। এক্সে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে কুলবিন্দরকে বলতে দেখা যাচ্ছে, ‘আমি চড় মেরেছি, কারণ উনি (কঙ্গনা) কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন। উনি বলেছিলেন, নারীরা ১০০ রুপির জন্য কৃষকদের প্রতিবাদে যোগ দিয়েছিলেন। উনি কি সেখানে বসে ছিলেন? আমার মা কিন্তু প্রতিবাদে বসেছিলেন।’

আবার সিকিউরিটি একাংশের দাবি, চেকিংয়ের সময়ে কুলবিন্দর কঙ্গনাকে একটি ট্রেতে ফোন রাখতে বললেও কঙ্গনা তা গ্রাহ্য করেননি। উল্টো এ নিয়ে তর্কাতর্কির মধ্যে কঙ্গনা ধাক্কা মারেন কুলবিন্দরকে। তার জেরেই এত ঘটনা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।