কল ড্রপ নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষের শেষ নেই : পলক – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকারবিবার , ৩০ জুন ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

কল ড্রপ নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষের শেষ নেই : পলক

বার্তা কক্ষ
জুন ৩০, ২০২৪ ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ::

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কল ড্রপ নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষের শেষ নেই। এটি এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কল ড্রপের ব্যাপারে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না। আগামী ৬ মাসের মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে কল ড্রপ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনতে হবে। সোমবার (১ জুলাই) থেকেই আমরা কল ড্রপের বিষয়ে অ্যাকশনে যাব।

রোববার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মানসংক্রান্ত বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে কল ড্রপের হার কমিয়ে আনার জন্যই এ বৈঠকে বসেছি। সরকার মোবাইল অপারেটরদের যেসব সুবিধা দিয়েছে তার বিপরীতে গ্রাহকরা প্রতিশ্রুত সেবা পাচ্ছেন কিনা সেটিই বড় বিষয়। বিটিআরসি কল ড্রপ নিয়ে যে পরীক্ষাগুলো করেছে সে রিপোর্ট অনুসারে কোয়ালিটি অব সার্ভিস খুব সন্তোষজনক নয়। আমরা দেখছি, গ্রাহকরা অনেক ক্ষেত্রেই সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। ছয় মাসের মধ্যে কল ড্রপ নিয়ে অপারেটররা যেই তথ্য দেন না কেন, আমি সন্তুষ্ট হব না। আমি দেখব গ্রাহকরা কী বলেন, গণমাধ্যমে কী খবর আসছে। শুধু কাগজে-কলমে বা ডিজিটাল উপস্থাপনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে সন্তুষ্ট হব না।

পলক বলেন, মোবাইল অপারেটরদের পরিষ্কার বার্তাটি দেওয়ার জন্য এখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা একটি স্মার্ট টেলিকম ইকোসিস্টেম বাংলাদেশকে উপহার দিতে চাই। কল ড্রপের জন্য গ্রাহকের যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা আমরা আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে যাব। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা যেন করা হয়। সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণটাই আমরা দেওয়ার চেষ্টা করব, যাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরগুলো একটা চাপে থাকে, তারা যদি সেবা না দেয় তাহলে তাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

তিনি বলেন, মনিটরিং এবং অডিট নিয়মিত করব। বেঞ্চমার্ক যাই থাকুক, কল ড্রপ রেট কাগজে-কলমে যাই থাকুক, আমাদের গ্রাহকের সন্তুষ্টির ওপর জোর দেব। ফাইভ জি রোল আউটেরও একটা নির্দিষ্ট টার্গেট বিটিআরসি এবং চারটি মোবাইল অপারেটরদের দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এয়ারপোর্ট, সিপোর্ট এবং কিছু বাণিজ্যিক জেলায়, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক-শিল্পাঞ্চলে ফাইভ জি রোল আউট করা। তারপর গ্র্যাজুয়ালি রোল আউট করা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের থার্ড টার্মিনাল অক্টোবরে উদ্বোধন হতে পারে। অক্টোবরকে টার্গেট করে চারটি মোবাইল অপারেটরকে একটা চ্যালেঞ্জ দিতে চাই, ৩০ অক্টোবরের  মধ্যে ফাইভ জি ওখানে নিশ্চিত করতে পারে। পাশাপাশি গুলশান, বনানী, মতিঝিল, আগারগাঁও এলাকায় ফাইভ জি এনাবল অনেক স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয় বেশি। আমার বিশ্বাস এখানেও মনোযোগ দেবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনায় ফাইভ জি ও আইওটি সার্ভিস নিশ্চিতের ব্যাপারে পলক বলেন, নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী। আমরা আশা করি সেখানেও খুব দ্রুত ফাইভ জি ব্যবহার করতে পারব। অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদসহ গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি এবং টেলিটক অপারেটরদের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।