রোজায় নিত‌্যপন‌্য বাজার নিয়ন্ত্রনে থাক‌বে – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোজায় নিত‌্যপন‌্য বাজার নিয়ন্ত্রনে থাক‌বে

সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৩ ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ::
রোজায় ব্যবহৃত পণ্যের চাহিদার বেশি এলসি খোলা হয়েছে।

রোজায় ব্যবহৃত পণ্যের চাহিদার বেশি এলসি খোলা হয়েছে ফাইল ফটো

ঢাকা: রোজায় ব্যবহৃত পাঁচপণ্যের প্রয়োজনের বেশি এলসি খোলা হয়েছে। পণ্যগুলো হলো, চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, পেঁয়াজ ও খেজুর।

বুধবার ( ১ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত এ সব পণ্যের ১২ লাখ৫৩ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টনের এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে। দেশে এসব পণ্য দেশে পৌঁছানো শুরু হয়েছে।

রমজানের আগে পৌঁছে যাবে। রোজায় এসব পণ্যের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবা উল হক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

মুখপাত্র বলেন, বুধবার পর্যন্ত এসব পণের মধ্যে চিনির ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪১ টন, আগের বছর একই সময়ে খোলা হয়েছিল ৫ লাখ ১১ হাজার ৪৯৩ মেট্রিক টন। ভোজ্যতেলের এলসি খোলা হয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ৮৫৩ টন, আগের বছর একই সময়ে খোলা হয়েছে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৬০ টন।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের এলসি খোলা হয়েছে, ৪২ হাজার ৫৬৩ টন, আগের বছর একই সময়ে খোলা হয়েছিল ৩৬ হাজার ২২৬ টন। ডালের এলসি খোলা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৬৭ টন, গতবছরের একই সময়ে খোলা হয়েছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৬ টন।

খেজুরের এলসি খোলা হয়েছে ২৯ হাজার ৪৮২ টন, গত বছর একই সময়ে খোলা হয়েছিল ১৬ হাজার ৪৯৮ মেট্রিক টন। রোজা আসার আগে এলসি খোলা হবে বলেও জানান তিনি।

এসব পণ্য সঠিক সরবারহে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তর কাজ করছে। কোনো বাধাহীনভাবে বাজারে পৌঁছানোও সম্ভব হবে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্বাহী পরিচালক।

তিনি বলেন, প্রবাসী আয় বেড়েছে, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী পণ্য আমদানির নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। পুরোনো আমদানি ব্যয় নির্বাহ করতে এখনো ব্যালেন্স অব পেমেন্টে ঘাটতি থাকলেও শিগগিরই এ ঘাটতি থাকবে না। এতে ডলারের সংকট দূর হবে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ বন্ধ না হলে পরিস্থিতি পুরোপুরি কখন নিয়ন্ত্রণে আসবে বলা যাবে না।

কিছু ব্যবসায়ী রোজায় ব্যবহৃত পণ্য আমদানি করতে এলসি খুলতে পারছে না, ব্যাংক এলসি খুলতে রাজি হচ্ছে না- এমন প্রশ্নের জবাবে মেজবা উল হক বলেন, মোট এলসি খোলার চিত্র সে কথা বলছে না। হ্যাঁ, এমন হতে পারে কোনো ব্যাংক হয়তো খুলছে না। কিন্তু অন্য ব্যাংক বেশি খুলছে। জরুরি প্রয়োজনে এলসি খোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সহায়তা দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।