বি‌টি‌সিএ‌লের অচল ফো‌নের সচল বিল – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশুক্রবার , ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

বি‌টি‌সিএ‌লের অচল ফো‌নের সচল বিল

সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৩ ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নীলফামারী প্রতি‌নি‌ধি ::

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) সেবা মিলছে না। অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানে কিংবা বাসা-বাড়ির টেলিফোন বছরের পর বছর অচল অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে বিটিসিএলের লাইনে কোনো সংস্কার কাজ না করায় অধিকাংশ তার নষ্ট হয়ে গেছে। অথচ গ্রাহকদের প্রতি মাসেই গুনতে হচ্ছে টেলিফোন বিল।

এদিকে, টেলিফোন না করতে করতে অনেক সরকারি কর্মকর্তা তাদের কার্যালয়ের টিঅ্যান্ডটি ফোন নম্বরটি ভুলতেও বসেছেন। এমনটি জানিয়েছেন কয়েকজন গ্রাহক ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধানরা।

আর কর্তৃপক্ষ বলছেন, জনবল সংকটের কারণে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পুনরায় সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সৈয়দপুর ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে কোটি টাকা ব্যয়ে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের পাশে নিয়ামতপুরে আড়াই একর জমির ওপর টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি ডিজিটাল হিসেবে উন্নীত করা হয়। এ এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সংযোগের ক্ষমতা রয়েছে ৪ হাজারটি, কিন্তু বর্তমানে উপজেলার সব সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়, আবাসিক এলাকাসহ মোট সংযোগ রয়েছে ২৫০টি। এসব সংযোগ বছরের অধিকাংশ সময় নানা কারণে বিকল থাকে।

সৈয়দপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আনসার–ভিডিপি কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, আনসার–ভিডিপি কর্মকর্তা নুর বানু আকতার চেয়ারে বসে মুঠোফোনে কথা বলছেন। টেলিফোনের অবস্থা কী, জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘টেলিফোন আছে সে কথা ভুলে গেছি। আপনি মনে করিয়ে দিলেন। এক বছর থেকে টেলিফোন সংযোগ নেই।’

‘সংযোগ নষ্টের কারণে টেলিফোন সেটটি কে কোথায় রেখেছে, তাও বলতে পারছি না। ফোন নম্বরটিই ভুলে গেছি, কিন্তু প্রতিমাসে বিল দেওয়া লাগে।’

সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন বলেন, আমি ২০১৭ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছি। আমার অফিসে যে টেলিফোন রয়েছে, তা আমার জানাই ছিল না। কেননা এই ৬ বছরে টেলিফোনের শব্দ কানে আসেনি। টেলিফোন বিভাগের লোকজনেরও দেখা মেলে না। প্রয়োজনীয় কাজ মুঠোফোনেই সারছি। অথচ প্রতি মাসে মিনিমাম বিল দিচ্ছি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার অন্যান্য সরকারি দপ্তরেরও একই অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে টেলিফোনগুলো অচল অবস্থায় পড়ে থাকলেও প্রতিমাসে দিতে হচ্ছে বিল।

সৈয়দপুর ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জের জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান জানান, সব সংযোগ নয়, কিছু নষ্ট আছে। জনবল সংকটের কারণে সেগুলোতে পুনরায় সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাকিগুলোতে টেলিফোন সেটগুলো পরিবর্তন করলে তারা কথা বলতে পারবেন। তবে কোনও গ্রাহক যদি লিখিত আবেদন দিয়ে লাইন বন্ধ করেন, তাহলে তার বিল দিতে হবে না। লাইন বন্ধ না করার কারণে সর্বনিম্ন বিল দিতে হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।