উত্তর সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা নিয়ম ব‌র্হিভুত খোড়া খু‌ড়ি : প্রকৌশলীদের সহযোগিতা,ওয়াসার মডস ৯ এর মদদে ঠিকাদাররা কর‌ছে এ অ‌নিয়ম – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাসোমবার , ৬ মার্চ ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা নিয়ম ব‌র্হিভুত খোড়া খু‌ড়ি : প্রকৌশলীদের সহযোগিতা,ওয়াসার মডস ৯ এর মদদে ঠিকাদাররা কর‌ছে এ অ‌নিয়ম

সম্পাদক
মার্চ ৬, ২০২৩ ৩:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ষ্টাফ রিপোর্টার –
রাজধানীর উত্তরায় ৪ এবং ৬ নং সেক্টরে ওয়াসার পানির লাইন সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের নামে চলছে খানাখন্দ তৈরীর কাজ।
সরেজমিনে আমাদের প্রতিনিধি গিয়ে দেখেন, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদত্ত কাটিং অনুমোদন এর উপর ভিত্তি করে চলছে আন্ডারগ্রাউন্ড লাইনে পাইপ ঢুকানোর কাজ। আর এই কাজ করতে গিয়ে যত্রতত্র চলছে খোঁড়াখুড়ি। আর খোঁড়াখুড়ি শেষে যেই নিয়মে সেই গর্ত বন্ধ করবার কথা তা মানা হচ্ছে না একেবারেই। কাটং পার্মিশানের ক্লোলাজ ১২,১৩ ও ১৪ নং শর্ত ভংগ করা হচ্ছে সারাসরি। নিয়ম অনুযায়ী মাটি কেটে গর্ত করে পাইপের কাজ শেষ, গর্ত বালিতে ভরাট করবার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে, গর্ত থেকে উঠানো মাটি দিয়েই। মাটি দিয়ে ভরাটের পর তা উন্মুক্ত করে ফেলে রাখা হচ্ছে। ফলে গর্তের মাটি বসে গিয়ে তৈরী হচ্ছে খানাখন্দ। যাতে স্কুলগামী ছাত্র ছাত্রীরা প্র‍্যয়ই গর্তে পরে আহত হচ্ছে। মজিদ নামের একজন ৬০ বছরের পথচারী জানান, গর্ত করে চিহ্নিত না করায় রাতে পথ চলতে সেই গর্তে পড়ে আহত হয়েছেন তিনি। এখন ব্যয়বহুল চিকিৎসা চলছে তার। সব চেয়ে বেশী বিপদে পড়ে রাতের পথ যাত্রীরা। কারণ রাস্তার সকল স্থানেই ল্যাম্পপোস্ট নেই। তা ছাড়া নির্মাণ সামগ্রি ও যত্রতত্র ফেলে রাখতে দেখা যায়। উন্মুক্ত খনন করতে গিয়ে আশপাশে রাজউক, ডিপিএস সহ বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল রয়েছে। যেখান থেকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কান্ডারীরা বেড়িয়ে আসে। অভিবাবক ও শিক্ষকরা অভিযোগ করেছে দীর্ঘ সময় উন্মক্ত খোড়াখুড়ির কারণে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ফুসফুস জটিলতা বাড়ছে। পাশে করোনা চিকিৎসার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালেও একই অবস্থা। চারিদিকে ধূলাবালি উড়ে হাসপাতালে প্রবেশ করছে। আবাসিক এলাকার এক বাসিন্দা জানান, বিল্ডিং এর ৬ তলা পর্যন্ত ধূলা উড়ে প্রবেশ করেছে।
এই সকল অভিযোগ নিয়ে আমাদের প্রতিনিধির কথা হয় ডিএনসিসি’র জোন – ১ এর প্রধান প্রকৌশলী এবং তার অন্যান্য অধস্তন প্রকৌশলীদের সাথে। তাদের সরেজমিনে অনিয়ম দেখানোর পরও ; তারা তা দেখতে পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। যার ইংগিত মূলত গোপন কোন বুঝাপরার বলেই মনে হয়েছে। যদিও তথ্য প্রমান উপস্থাপনে পর তারা থেমেছেন। প্রকৌশলীগন কন্ট্রাক্টর এর উপর দায় চাপালে আমাদের প্রতিনিধি চায়না পেট্রলিয়াম পাইপ লি: ( সিপিপি) সহকারী কন্ট্রাক্ট ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করে।
তাতে ফলপ্রসূ কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে নাম না বলার শর্তে একজন জানান ” বানর এবং কলা একই গাছে আছে “। তাই কেউ কাউকে দায়ে ফেলবে না। ডিএনসিসি ইঞ্জিনিয়ার এবং সিপিপি কোং মধ্যে সম্পর্ক গভীর। আর এই গভীরতা বাড়িয়েছে অনৈতিক সুবিধা এমনটা জানিয়েছে একজন শ্রমিক। যে সিপিপির হয়ে কাজ করছে।
(আগামী পর্বে আসছে বিস্তারিত)

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।