অনুসন্ধানী প্রতি‌বেদন  রাজধানীর হাজী ক্যাম্প দখলে রাখা কর্মকর্তা কর্মচারীদের দূর্নীতি চিত্র দূর্নীতিবাজ সুহিলের উত্থান – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাসোমবার , ৬ মার্চ ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অনুসন্ধানী প্রতি‌বেদন  রাজধানীর হাজী ক্যাম্প দখলে রাখা কর্মকর্তা কর্মচারীদের দূর্নীতি চিত্র দূর্নীতিবাজ সুহিলের উত্থান

সম্পাদক
মার্চ ৬, ২০২৩ ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

অনুসন্ধানী প্রতি‌বেদক ::
বি-বাড়িয়া জেলার সদর থানার পয়াগ গ্রামের মৃত মনিরুজ্জামানের পুত্র জীবিকার টানে চলে আসে ঢাকায় । শুরুতেই হতদরিদ্র সুহিল বন্ধুদের সাথে থেকে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেন । জানা যায় জনৈক এক ব্যক্তির পরিচয়ে ঢাকা ইসলামি ফাউন্ডেশনে অস্থায়ী ভিত্তিতে ১০-১২ হাজার টাকা বেতনে পিয়ন পদে চাকুরী করে ।অল্প বেতনের কারণে বাসা ভাড়া না দিতে পারায় বেকায়দায় পরে সে। এর মধ্যেই আবাসহীন সুহিলের হরিরাম নামের এক সুইপারের সাথে পরিচয় হয় তার ।পরে সুইপার কলোনিতে বসবাস শুরু করেন সুহিল ।কিছুদিন পড়ে তার এলাকার বড় ভাই হজ্জ অফিসের প্রধান সহকারী আব্দুল রহিম সাহেবের সঙ্গে পরিচয় সুবাদে আব্দুল রহিম সাহেবের সুপারিশে সুহিল ঢাকা হজ্জ অফিসে কম্পিউটার টাইপিস্ট পদে চাকুরী পেয়ে শুরু করে দূর্নীতি।
দূর্নীতিবাজ মালেকের উত্থান – বরিশাল জেলার সদর থানার দক্ষিণ চর আইচা গ্রামের মৃত মেনাজ উদ্দিনের ৩য় পুত্র আব্দুল মালেক ।সরকারি হজ্জ ব্যবস্থাপনায় জানা যায় ২০-২২ বছর যাবৎ ঢাকা হজ্জ অফিসে চাকুরী করে আসছেন ।হজ্জ অফিসের সহকারী অফিসার পদটি লোভনীয় পদ বটে । সে ভদ্রবেশি একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা । তার নামে নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ ও অনিয়ম রয়েছে।জানা যায় সহকারী হজ্জ অফিসার আব্দুল মালেককে দুর্নীতির দায়ে কয়েকবার হজ্জ অফিস হতে প্রত্যাহার করে ধর্ম মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছিল । একবার ৭ বছর পরবর্তীতে ৩ মাস মন্ত্রনালয়ে সংযুক্ত থাকার পর বিশেষ তদবির বানিজ্য করে হজ্জ অফিসে পুনরায় যুক্ত হয়ে অপরাধ দূর্নীতি বানিজ্য লিপ্ত হয়েছে।
দূর্নীতিবাজ দীন মোহাম্মদের উত্থান – হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার হবীবপুর গ্রামের মৃত তহশিলদার আহমেদের ৩য় পুত্র দীন মোহাম্মদ ।স্থানীয়রা জানান ছোট বেলায় দীন মোহাম্মদ ছিলো লম্পট প্রকৃতির। ছাত্রীরা স্কুলে যাওয়ার পথে অশ্লীন অঙ্গভঙ্গি করতো বলে অভিযোগ রয়েছে দীন মোহাম্মদ বিরুদ্ধে । এলাকায় থাকা অবস্থায় চুরি ছিনতাই এর সঙ্গে সংযুক্ত ছিলো ।ফলে স্থানীয়দের চাপে পড়ে তার পিতা দীন মোহাম্মদ কে তার খালাতো বোনের স্বামী আরেক দুনীতিবাজ সুহিলের হাতে তুলে দেয়। পরে সুহিল বিভিন্ন জায়গায় ধর্না দিয়ে তার স্যালককে ঢাকা হজ্জ অফিসে অফিস সহকারী পদে চাকুরী নিয়ে দেয়। চাকুরী পেয়েই দীন মোহাম্মদ খুলে বসেন দুর্নীতির খাতা ।
আব্দুল আউয়াল এর খতিয়ান – আব্দুল আউয়াল তার গ্রামের বাড়ী পাবনা সদরে। এক সময়ে রাস্তায় কাগজ কুড়িয়ে লেখা পড়া করা আউয়াল এখন প্রায় ২০ কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। তার এই অর্থের উৎস দূর্নীতি বলে জানিয়েছে এই রিপোর্ট এ দূর্নীতির অভিযুক্ত একজন। তবে বিশেষ কারণে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। আউয়াল নিজেকে পরিচ্ছন্ন দাবী করলেও আমাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদক তার সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি এবং সম্পদের খোজ পেয়েছে, যা বিষ্মকর বলে জানা গেছে।
সালাউদ্দিনের দূর্নীতি খতিয়ান – সালাউদ্দিনের বাড়ি নোয়াখালী সোনাইমুড়ীতে স্থানীয়রা জানান সালাউদ্দিন ছিলো অনৈতিক চরিত্রের ও দুষ্ট প্রকৃতির লোক। এমনটাই জানিয়েছে তার এলাকার অনেকেই । গ্রামের মানুষের নিকট অপ্রিয় ছিল সালাউদ্দিন হাত টানের অভ্যাস থাকার কারণে। একবার এমন কর্মে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সে। পুলিশকে ম্যানেজ করে তাকে ছাড়িয়ে আনে পরিবার। এর পর তার গন্তব্য হয় রাজধানীতে। পালিয়ে আসে ঢাকায় আশ্রয় নেয় সালামের রিক্সার গ্যারেজে।সেখানে কিছুদিন রিক্সা চালায় । পরে সিএনজি ও ভাড়া গাড়ি চালাতো । হঠাৎ রাতে একদিন এক ভদ্র মহিলা তার গাড়িতে উঠলে তাকে শ্লীলতাহানি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গণপিটুনি খায় সালাউদ্দিন । পরে সেখান থেকে চলে আসে আশকোনায়। সেখানে ও কিছুদিন রিক্সা চালায়। পরে হজ্ব ক্যাম্পের এক অফিসারের সঙ্গে পরিচয় হলে তার মারফতে হজ্ব অফিসে ড্রাইভারের চাকুরি পায় সালাউদ্দিন। চাকুরী পেয়েই শুরু করেন নানা ধরনের দুর্নীতি এবং অবৈধ আয়ের পথ ।
( সংশ্লিষ্টদের দূর্নীতির বিস্তারিত আগামী পর্বে )।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।