ঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞাত রোগে দুই মাসে ৮০ গরুর মৃত্যু – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকারবিবার , ১২ মার্চ ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞাত রোগে দুই মাসে ৮০ গরুর মৃত্যু

সম্পাদক
মার্চ ১২, ২০২৩ ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঠাকুরগাঁও  প্রতি‌বেদক ::

গ্রামবাসীরা জানায়, গ্রামের জোড়পুকুর, ব্যাংকপুকুর, ভেলা পুকুর ও ছয় ঘরিয়া পাড়ায় এখন পর্যন্ত অজ্ঞাত রোগে ৩০-৩৫ খামারির ৮০টির মতো গরু মারা গেছে।
সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘১৫ দিনের ব্যবধানে আমার পাঁচটি গরু মারা গেছে। একদিন বিকালে আমার একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। খাওয়া বন্ধ করে দেয়। আমি স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়ার ২ ঘণ্টার ব্যবধানে গরুটি মারা যায়। এক বছর আগে আমি একটি গরুর বাছুর চিকিৎসা করার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে যাই। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আjমার বাছুরটি মারা যায়। এতে আমি খুব কষ্ট পাই। ফলে আমার পাঁচটি গরু মারা গেলেও হতাশ হয়ে চিকিৎসার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে যাইনি।’
ভদ্রেশ্বরী গ্রামের ভেলাপুকুরপাড়ার বাসিন্দা সায়েম জানান, দুই মাসে এ গ্রামের ৮০টি গরু মারা গেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি।
আরেক খামারি মুসলিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার দুটি গরু অসুস্থ হলে আমি স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে জানাই। তিনি চিকিৎসা দেয়ার পরও ভালো না হলে আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলি কিন্তু পল্লী চিকিৎসক জানান, এ রোগের কারণ এখনো কেউ জানে না এবং এ রোগের ওষুধও নেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে হাসপাতালে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরো জানান, আমাদের এ চার পাড়ায় আতঙ্কে খামারিরা বেশির ভাগ গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছেন। এখনো যাদের ঘরে কিছু গরু রয়েছে তার মধ্য থেকেই আরো কয়েকটি গরু গত কয়েকদিনের ব্যবধানে মারা গেছে।
গত ৯ মার্চ ভদ্রেশ্বরী গ্রামে গেলে শাহানা পারভীন নামে এক খামারি দাবি করেন, একই লক্ষণে আমার একটি গরু অসুস্থ। ৮ মার্চ উপজেলা পশু হাসপাতালে ফোন দিলে তারা বলেন, ‘‌আপনার খামারে আমাদের চিকিৎসক যাবে। তবে ৯ মার্চ দুপুর গড়িয়ে গেলেও ভুক্তভোগীর বাড়িতে কোনো চিকিৎসক আসেননি বলে তিনি দাবি করেন।’
দিনমজুর ও খামারি শহিদুল বলেন, ‘গত মাসে এ রোগে কয়েকটি গরু মারা গেলে টিকা দেয়ার জন্য কয়েকজন চিকিৎসক আসেন। সে সময় তারা টিকাপ্রতি ৫০ টাকা দাবি করলে আমার কাছে কোনো টাকা না থাকায় আমি আমার গরুগুলোকে টিকা দিতে পারিনি। এর পর ভয়ে আমার সব গরু বাজার থেকে কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মৌসুমী আক্তার বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জানার পরে ওই গ্রামে গিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছি এবং তরকা ও বদলা রোগের টিকা কার্যক্রম করেছি। কয়টি গরু মারা গেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কয়টি গরু মারা গেছে এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকারনাইন কবীর স্টিভ বণিক বার্তাকে জানান, বিষয়টি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তিনি গত বুধবার এসেছিলেন। তাদের কাছে যতটুকু প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া দরকার তারা দিয়েছেন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।