সংসদ সদস্যদের ক্ষমতায়নে সংবিধান পর্যালোচনার প্রস্তাব : ইনু – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশনিবার , ৮ এপ্রিল ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

সংসদ সদস্যদের ক্ষমতায়নে সংবিধান পর্যালোচনার প্রস্তাব : ইনু

সম্পাদক
এপ্রিল ৮, ২০২৩ ২:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সংবিধানের চার মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়ের বিলোপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জাতিগত বিভ্রান্তি দূরীকরণ এবং ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদ সদস্যদের ক্ষমতায়নে সংবিধান পর্যালোচনায় সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছেন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রীকে প্রধান করে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে এই কমিটি গঠনের কথা বলেন তিনি।

জাতীয় সংসদের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আনা সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে আজ শনিবার (৮ এপ্রিল) ইনু এ প্রস্তাব করেন। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪৭ বিধির সাধারণ প্রস্তাবটি সংসদে তোলেন।

এ সময় বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে ইনু বলেন, নষ্ট রাজনীতির ধারক-বাহক বিএনপি ও জামায়াত তথাকথিত ২৭ দফা ও ১০ দফা দিয়ে সংবিধান খোলনলচে বদলে দেয়ার হুংকার ছেড়েছে। সংবিধানটাকে বাতিল করার কথা বলছে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে এসে সার্বভৌম সরকার গঠনে বেশি গুরুত্ব দেন। তার পরের ইতিহাস শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ইতিহাস। শেখ হাসিনার সাফল্যের ইতিহাস। তিনি সংসদীয় পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।

১৪ দলীয় জোটের শরিক জাসদ সভাপতি বলেন, শেখ হাসিনা সকল সমালোচনার মুখে ঐক্যের ঝাণ্ডা হাতে নিয়ে ১৪ দল ও মহাজোট গঠন করে ২০০৮ সালে মাইনাস টু তত্ত্ব বাতিল করে দিয়ে বিপুল ভোটে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে নিয়ে ক্ষমতায় এনে সংবিধান সংশোধনে হাত দেন। ১৫তম সংশোধনী তারই ফসল। আজকে যে সংসদ দেখছেন- সেই সংসদের কার্যক্রম চলছে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মুলনীতির ভিত্তিতেই। বাহাত্তরের সংবিধানের মুলনীতির ফেরত যাত্রায় ১৯৮০ থেকে আজ অবধি শেখ হাসিনা আমাদের কাণ্ডারি।

ইনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ করার পরিকল্পনায় এগিয়ে যাচ্ছেন। এর জন্য প্রয়োজন সম্পূরক আইন-কানুন, আধুনিক প্রশাসন এবং আরো অংশগ্রহণমুলক গণতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থা। প্রশাসনের ওপর আরো নজরদারির ব্যবস্থা। আরো অংশগ্রহণমুলক ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে রাজনীতির মাঠে যে প্রস্তাবগুলো আলোচনায় আছে সেগুলো আমলে নিয়ে বিচেনায় নিয়ে সংবিধান সংশোধন করার একটি সংসদীয় কমিটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করা উচিত।

আরো বলেন, যে আলোচনাগুলো মাঠে আছে প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতির পাশাপাশি দলভিত্তিক সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি, শ্রেণী-পেশার ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও স্থানীয় সরকারদের নিয়ে একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা। এবং অনাস্থা বিল ও অর্থবিল ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বিল বাদ দিয়ে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে এমপিদেরকে আইন তৈরি আরো ক্ষমতা প্রদান, সংসদের স্থায়ী কমিটিতে উন্মুক্ত করা ও সকল স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং সংবিধান ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা। সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা, খাদ্য ব্যবস্থা ও সামাজিক নিরপত্তা ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেট সার্বজনীন ব্যবহার অধিকার সংবিধানের মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করা। বিচারপতিদের নিয়োগ ও অভিশংসনের বিষয়টি আবার পর্যালোচনা করা। রাষ্ট্রের কোনো লিঙ্গ, ধর্ম, জাতপাত নেই। স্বয়ং মহানবী (সা.) মদিনা সনদে বিসমিল্লাহ ব্যবহার করেননি। উনি কোনোদিনই ধর্মকে ব্যবহার করেননি।

সংবিধান পর্যালোচনায় সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব করে বলেন, সংবিধানের চারনীতি পুনজ্জীবনের পরে এই সাংঘর্ষিক অবস্থা (বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম) আমাদের বিব্রত করছে। সংবিধানের এই সাংঘর্ষিক অবস্থা থেকে রেহাই দেয়ার জন্য সংবিধানের মুল কাঠামোর সঙ্গে যা যা সাংঘর্ষিক তা বিলোপসাধন করার বিবেচনা করা। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে বিভ্রান্তি দূর করা ও তাদের আত্মপরিচয় আরো স্পষ্ট করা। এ সব আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে আমি সংবিধান পর্যালোচনার করার জন্য সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান করে সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে সংবিধান পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।