উত্তরায় ভয়ংকর এক প্রতারণার দোকান খুলেছে ব্রাইড ফিউচার – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকারবিবার , ২৪ জুলাই ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

উত্তরায় ভয়ংকর এক প্রতারণার দোকান খুলেছে ব্রাইড ফিউচার

সম্পাদক
জুলাই ২৪, ২০২২ ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

স্টাফ রিপোর্টারঃরাজধানীর উত্তরায় আবাসনের অন্তরালে এম এল এম প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে।উওরা সেক্টর ৭ রোড ৫ বাড়ি ৭ অবস্থিত ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেড।প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতারণার মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করেছে বলে জানা যায়।এই পর্যন্ত ব্রাইট ফিউচার কোন গ্রহককে এক টুকরো জমি কিংবা প্লট বুঝিয়ে দিতে পাড়েনি।হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে অফেরৎযোগ্য ১৩ হাজার পাঁচশ করে টাকা নিয়ে তাদের সদস্য করা হয়েছে এখানে।একজন গ্রাহক নাম না জানানোর শর্তে বলেন আমি ২৪ লক্ষ টাকা ৫ বছর মেয়াদি রেখেছি এখানে আমাকে মাসিক একটা ইন্টারেস্ট দেয় ভাই।আবার কিছু গ্রাহক কে প্লট না বুঝিয়ে দিয়ে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে।অনুসন্ধানে আরো জানা যায় সেনাবাহিনীর কিছু অবসর প্রাপ্ত লোকজন কে পুজি করে এই প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলাউদ্দিন এই প্রতারণার চালিয়ে যাচ্ছে।এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে পূর্বেও আলোচনা সমালোচনার শেষ নেই অন্তঃসও্বা এক নারীকে ধর্ষণ করেন এই

ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রেজাউল ইসলাম সোহেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেডের এমডি রেজাউল ইসলাম সোহেলের সহযোগী পারভীন আক্তার, কাজী সামছুর রহমান ও হারুন অর রশিদ।

সোমবার (২৭ মে) ২০১৯ ঢাকার ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শরীফ উদ্দিনের আদালত মামলাটি দায়ের করেন ওই নারী।
ওইদিন শুনানির পর মঙ্গলবার (২৮ মে) ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে মামলার অভিযোগ এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেনবাদীপক্ষের আইনজীবী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলায় বাদীর অভিযোগ, রেজাউল ইসলাম সোহেলের সঙ্গে বাদীর ২০১২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরে ৩ কাঠা প্লট ক্রয়ের মৌখিক চুক্তি হয়।চুক্তি মোতাবেক বাদী সোহেলকে ২৪ লাখ টাকা দেন।১৪ মাস পরে সোহেল চুক্তিটি বাতিল করে গার্ডিয়ান রিয়েল এস্টেট থেকে একটি ফ্ল্যাট বাদীকে দেয়ার লিখিত চুক্তি করেন। ২ বছর পরও সোহেল সেটাও বুঝিয়ে দিতে টালবাহানা শুরু করলে এক সালিশে আসামি তার একটি প্রজেক্ট বিক্রি করে বাদীকে ৬৪ লাখ টাকা দেবেন বলে জানান এবং তার এক কর্মচারী ৭ লাখ টাকার ৬টি চেক বাদীকে দেন।
অভিযোগে বাদী আরো বলেন, চেক দেওয়ার পর আসামি সোহেল বাদীকে বিমা চেক ও চুক্তিনামা ফেরত দিতে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। এ ব্যাপারে বাদী ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে বাদী ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর সিএমএম আদালতে আসামি সোহেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলার পর তা তুলে নিতে আসামি হুমকি দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি বাদীকে আপসের প্রস্তাব দেন। আসামি পারভীন আক্তার আপসের বিষয়ে বাদীকে বোঝান এবং তাকে অন্যত্র প্লট দেওয়ার আশ্বাস দেন। গত ২৪ এপ্রিল আসামিদের সাথে বাদীর মামলা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। বাদী আপসের কথা না মানলে সোহেল তাকে তার নিজ রুমে নিয়ে আলাপ করেন। সোহেল বাদীকে প্রস্তাব দেন— তাকে সন্তুষ্ট করতে পারলে বাদীকে তিনি জমি ফেরত দেবেন। বাদী অন্তঃসত্ত্বা জানালে আসামি পারভীনের সহযোগিতায় আসামি সোহেল বাদীকে ধর্ষণ করে। আসামি পারভীন ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন। ধর্ষণের পর বাদী দরজায় ধাক্কা মেরে বের হওয়ার চেষ্টা করলে আসামি কাজী সামছুর রহমান এবং হারুন অর রশিদ তাকে বাঁধা দেন এবং বাদীর শ্লীলতাহানি করেন।
পূববর্তী মামলা তুলে না নিলে আসামিরা ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবেন বলে বাদীকে হুমকি দেন।এই সকল অর্পকর্ম করেও কোন খুটির বলে দাঁড়িয়ে আছে ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেড।গণপূর্ত অধিদপ্তর তন্ন তন্ন করেও কোন কাগজ খুজে পাওয়া যায় নি এই কোম্পানিটির।এই প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলাউদ্দিন কে এই বিষয় মুঠোফোনে ফোনে তেমন কোন পরিষ্কার বক্তব্য দেয়না তিনি উল্টো গণমাধ্যম কর্মীকে বলে আপনি কে আপনাকে কেন গৃহায়ণ এর ডকুমেন্টস দেখাতে হবে বলে এরিয়ে যায়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।