সংবাদ সংগ্রহে বিধিনিষেধ আরোপ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে বাধা : টিআই‌বি – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবাদ সংগ্রহে বিধিনিষেধ আরোপ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে বাধা : টিআই‌বি

সম্পাদক
এপ্রিল ১৩, ২০২৩ ৮:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক::

নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন না, এছাড়া তারা ১০ মিনিটের বেশি ভোটকক্ষে অবস্থান ও ভোটকক্ষ থেকে কোনোভাবেই সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন না— নির্বাচন কমিশনের এ নীতিমালা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ভূমিকা পালনে প্রতিকন্ধতা সৃষ্টি করবে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহে প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি এবং রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক সাংবাদিকের কার্ড ইস্যু করার বিধান গণমাধ্যম কর্মীদের আজ্ঞাবহ সাংবাদিকতায় বাধ্য করার অপচেষ্টা।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমকে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের চোখ ও কান বলে অভিহিত করলেও সম্প্রতি জারিকৃত পরিপত্রের মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয়েছে, তারা শুধু নিজেদের জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য করতে এ জাতীয় মুখরোচক মন্তব্য করেছে। মূলত তারা সাংবাদিকদের কার্যক্রমকে শেকলবদ্ধ করে তুলছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মোটরসাইকেল স্থানীয় পর্যায়ে সংবাদকর্মীদের দায়িত্বপালনে অপরিহার্য বাহন। অনেক কেন্দ্র আছে যেখানে গাড়ি বা অন্য কোনো যানবাহনে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে একটি গাড়ি ভাড়া করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়, এ রকম একটি পরিস্থিতিতে নির্বাচনের দিন গণমাধ্যমকর্মীদের মোটরসাইকেল ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ দুরভিসন্ধিমূলক।

১০ মিনিটের বেশি সংবাদকর্মীদের ভোটকক্ষে অবস্থান করতে না পারার বিধানের সমালোচনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চিহ্নিত ‘‌গোপন বুথের ডাকাতদের’ রক্ষায় এই নিয়মের আমদানি কিনা, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাংবাদিকদের কমিশন থেকে যে কার্ড দেয়া হতো সেখানে মাত্র পাঁচটি নির্দেশনা সংযুক্ত ছিল এবং সাংবাদিকদের নির্বাচনের দিন মোটরসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ ছিল না।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের আগে সাংবাদিকদের জন্য ১২টি ধারা যুক্ত করে একটি নীতিমালা এবং সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কথা উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচন কমিশন সংবাদকর্মীদের ভোট কাভারেজের অনুমতি দিয়ে কার্ড দেয়ার পর ভোটকক্ষে ঢুকতে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বাড়তি অনুমতির প্রয়োজনীয়তা কী, তা বোধগম্য নয়। তাছাড়া বর্তমান প্রেক্ষাপটে যদি কোনো ভোটকক্ষে অনিয়ম হয়, সেক্ষেত্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কী অনুমতি দেবেন? আর অনুমতি না দিলে নির্বাচনী অনিয়মের ছবি তোলা ও তথ্য সংগ্রহ কী ধরনের বাধার সৃষ্টি হবে, তা নীতিমালা তৈরিতে কমিশনের বিবেচনায় ছিল বলে মনে হচ্ছে না। মুখে নির্বাচনী স্বচ্ছতার কথা বলে আবার কোন বিবেচনায় ভোট কক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হলো, এর মাধ্যমে কমিশন কী বৈশ্বিক চর্চা অনুকরণের চেষ্টা করছে, সেটি সত্যিই কৌতূহলোদ্দীপক।

নির্বাচনী খবর সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকের সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষমতা প্রসঙ্গে ড. জামান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপত্তি, পক্ষপাতমূলক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রভাব বলয়ে সাংবাদিকের সংখ্যা ঠিক করার এখতিয়ার একজন কর্মকর্তার ইচ্ছাধীন হয়ে পড়াটা সুখকর নয়। এমন বাস্তবতায় কমিশনকে নীতিমালাটি বাতিল করার আহ্বান জানান তিনি।

টিআইবি মনে করে, নির্বাচন কাভারেজ নিয়ে কমিশনের বিধিনিষেধের তালিকা যত দীর্ঘ হচ্ছে, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা এবং গণতন্ত্র ততটাই দুর্বল ও ক্ষয়িষ্ণু হচ্ছে।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।