বাংলা বর্ষবরণের আনন্দে শামিল বিদেশীরাও – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশুক্রবার , ১৪ এপ্রিল ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

বাংলা বর্ষবরণের আনন্দে শামিল বিদেশীরাও

সম্পাদক
এপ্রিল ১৪, ২০২৩ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক::

নতুন বঙ্গাব্দে শান্তিময় পৃথিবীর প্রত্যাশায় দেশজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে হরেক রকম অনুষ্ঠান। যার সর্বাগ্রে রয়েছে রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক মঙ্গল শোভাযাত্রা।

এবার তীব্র দাবদাহের মাঝেও বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন হাজার হাজার বাঙালি। তাদের সঙ্গে আনন্দে শামিল হয়েছেন বিদেশীরাও

রাজধানীতে বিভিন্ন উপলক্ষে বসবাসকারী এই ভিনদেশীরা এদিন সেজেছেন বাঙালিয়ানা সাজে। তাদের পোশাকে ছিল বৈশাখী উৎসবে প্রতিনিধিত্বকারী রং ও স্থানীয় মোটিফ। নারীদের কারো মাথায় দেখা গেছে ফুলের বর্ণিল মুকুট। পুরুষরা মাথায় পড়েছেন স্কার্ফ। কেউ কেউ মুখে এঁকেছেন নকশা।

বয়স্কদের পাশাপাশি বঙ্গাব্দ বরণে পিছিয়ে নেই বিদেশী শিশুরাও। তাদের বৈশাখের রঙ্গে রাঙ্গিয়েছেন অভিভাবকরা।

সুইজারল্যান্ড থেকে আসা এক বিদেশী বলেন, বর্ষবরণ অনেক বর্ণিল একটি আয়োজন। আমি এখানে অংশগ্রহণ করে সত্যিই আনন্দিত। সবচেয়ে যে বিষয়টি ভালো লেগেছে সেটি হলো নারী-পুরুষ সবাই একসঙ্গে আনন্দ উদযাপন করছে।

পরিবারসহ নরওয়ে থাকা আসা লুন্ড ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, ‘আমি একটু একটু বাংলা জানি। আমরা বাঙালি কালচার ভালোবাসি। বাঙালিরা খুবই মিশুক। এখানের খাবার অনেক মজা।  আজ এখানে অনেক রঙ, অনেক ফুল, অনেক মানুষের সম্মিলন। আমি এখানে আসতে পেরে অনেক খুশি।’

আজ সকাল ৯টার পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। শাহবাগ মোড় ঘুরে আবার চারুকলায় গিয়ে শেষ হবে।

শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন।

এবারের শোভাযাত্রায় স্থান পেয়েছে পাঁচটি মোটিফ- টেপা পুতুল, ময়ুর, নীল গাই, হাতি ও বাঘ। এছাড়া শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন আকৃতির মুখোশ।

অন্যদিকে ভোর ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে রমনার বটমূলে শুরু ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। নতুন বছরকে এক কণ্ঠে বরণ করে নেন সংগঠনের শতাধিক শিল্পী।

এদিকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ঘিরে রমনা উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান জোরদার করা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।