ফি‌রে দেখা : নেতা‌জি‌কে যুদ্ধাপরাধী বা‌নি‌য়ে‌ছি‌লেন নে‌হেরু – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাসোমবার , ২৯ মে ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

ফি‌রে দেখা : নেতা‌জি‌কে যুদ্ধাপরাধী বা‌নি‌য়ে‌ছি‌লেন নে‌হেরু

সম্পাদক
মে ২৯, ২০২৩ ১:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ডি এস মাহফুজা হো‌সেন মিতা ::

🗓️ ২৭ শে ডিসেম্বর ১৯৪৫ 🗓️

জওহরলাল নেহরু নেকা‌জি‌কে যুদ্ধাপরাধী উ‌ল্লেখ ক‌রে চিঠি তার ব্যক্তিগত স্টেনোগ্রাফার শ্যামলাল জৈনকে টাইপ করতে দেন। দিয়ে আসফ আলির সাথে আলাপচারিতায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। মিনিট দশ-পনেরো অতিবাহিত হওয়ার পরও মিঃ জৈন টাইপ শেষ করতে পারলেন না। কারন, খসড়া চিঠিটাতে লেখকের নামটা পড়া যাচ্ছিল না। মিঃ জৈন পাশের ঘর থেকে নেহরুর ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। নেহরু আসতেই মিঃ জৈন চিঠিটার লেখকের নাম জিজ্ঞাসা করলেন। নেহরু নামটি উল্লেখ না করে বরং কাগজটি ফেরত চেয়ে বসলেন।

চিঠিটা ফেরত নেওয়ার পর নেহরু মিঃ জৈনকে তার প্যাড থেকে চারটি পাতা দিয়ে একটি চিঠির চার কপি টাইপ করতে বললেন। নেহরু বলতে লাগলেন আর মিঃ জৈন টাইপ করতে লাগলেন..

Dear Mr. Attlee,

I understand from reliable source that Subhas Chandra Bose, your war criminal, has been allowed to enter Russian territory by Stalin. This is a clear treachery and betrayal of faith by the Russians. As Russia has been an ally of the British – Americans, it should not have been done. Please take note of it and do what you consider proper and fit.

Yours Sincerely,

Jawaharlal Nehru

➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

📌 নেহরুর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী তথা জাতির মুক্তিদাতা নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর নাম দুনিয়ার রেজিস্টার থেকে কেটে দেওয়া হল কবে ❓

⏩ ১৮ ই আগস্ট ১৯৪৫

📌 নেহরু স্বাধীনতার প্রকৃত রূপকার নেতাজীকে ‘ যুদ্ধাপরাধী ‘ দাগিয়ে তার ঔপনিবেশিক প্রভুকে চিঠিটি লিখলেন কবে ❓

⏩ ২৭ শে ডিসেম্বর ১৯৪৫

অর্থাৎ, ব্রিটিশ প্রভুদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে যে ক্ষমতালোভীর দল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসকে তথাকথিত মিথ্যে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত বলে ঘোষণা করলো, তারাই ‘ মৃত মানুষ ‘টিকে ‘ যুদ্ধাপরাধী ‘ দাগিয়ে ব্রিটিশ প্রভুদের কাছে ‘ মৃত মানুষ ‘টিকে শায়েস্তা করতে সাহায্য ভিক্ষা করলো।

শুধুই কি তাই ?

তথাকথিত স্বাধীনতা লাভের পর দীর্ঘ দু দশক ধরে সুভাষ চন্দ্র বসুর কলকাতার পৈতৃক বাসভবন ও পরিবারের লোকজনের উপর নজরদারি চালানো হল।🖇️

আচ্ছা, একটা ‘ মৃত মানুষ ‘কে নিয়ে এত ভয় কিসের ❓

ভয়ের কারন আছে।

কারন, ‘ মৃত মানুষ ‘টা ফিরে এসেছিলেন যে।

নিজের দেশে, নিজের মাটিতে, নিজের শিকড়ে, পরমপ্রিয় দেশমাতৃকার কোলে নিভৃতে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেশের মাটিতে, দেশের হাওয়াতে চিরতরে বিলীন হয়ে যাওয়ার জন্য।

সেটাই মন থেকে কোনোদিনই চাননি নেহেরু তাই তো তার এতসব গোয়েন্দাগিরি, ‘ সুভাষ বসুর ’ নামটা চিরতরে আমাদের হৃদয় থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা.. 🌿

এরপরেও বলবেন নেহেরু কে সম্মান জানাতে..⁉️

তারপরও তি‌নি ভার‌তের জা‌তির পিতা। ‌নেতা‌জি হ‌লেন যুদ্ধাপরাধী। নিয়‌তির কি নির্মম প‌রিহাস যে নেতা জীবন দি‌লেন দেশ মাতৃকার স্বাধীনতার জন‌্য তি‌নিই হ‌লেন যুদ্ধাপরাধী।

© এক যে ছিলো নেতা

| #এক_যে_ছিলো_নেতা |

# সংগৃহীত বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা মনসুর আলী স্মৃ‌তি সংগ্রহশালার জয় বাংলা কর্নার থে‌কে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।