আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরে সংলাপ: মির্জা ফখরুল – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশনিবার , ১০ জুন ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরে সংলাপ: মির্জা ফখরুল

সম্পাদক
জুন ১০, ২০২৩ ৯:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, পরে সংলাপ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। দুবার পাতানো নির্বাচন হয়েছে। তৃতীয়বারের মতো আর ফাঁদে পা দেবে না বিএনপি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ সংসদে ১০ ভাগ আসনও পাবে না।

শনিবার (১০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক স্মরণ সভায় এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল। বিএনপি নেতা গৌতম চক্রবর্তীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট।

সংলাপ নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগেরবারও ডেকেছিলেন সংলাপের জন্য। ভেবেছিলাম ভালো কিছু একটা হবে। দুইবার প্রতারণার শিকার হয়েছি। তাদের কথা আর কেউ শুনবে না। কারণ অতীতে কথা দিয়ে তারা রাখেনি। সরকার দুর্নীতি করছে আর উন্নয়নের কথা বলছে। তারা গণতন্ত্র হত্যা করেছে। আমরা বলেছি গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন হয় না। আজকে আন্তর্জাতিকভাবেও সেটা বলা হচ্ছে। বিদেশী পত্রিকা লিখছে বাংলাদেশের অর্থনীতি আন্ডারগ্রাউন্ডে।

মির্জা ফখরুল বলেন, চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক। সরকার বিদ্যুৎ নিয়ে যে ঢাকঢোল পিটিয়েছে যে টাকা খরচ করেছে এখন সেটা কোথায়? তারা এখন নির্বাচনী ফান্ড তৈরির চেষ্টা করছে। এমনিতেই যেখানে বিমান চলতে পারে না সেখানে এয়ার বাস কেনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দুর্নীতি হবে। তারা নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করবে। দেশকে এই সরকার চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যে কারণে আমরা বার বার করে বলছি যে, এই সরকারের এখন থাকার আর কোনো কারণ নেই। তারপরও তার নেতা, তার মন্ত্রীরা বলে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাকি এখন ডেড ইস্যু। ডেড ইস্যু হবে কেন? এটাই তো এখন সবচেয়ে লাইফ ইস্যু। কারণ আমরা মনে করি যে, এই সরকারের এই মুহূর্তে পদত্যাগ করা উচিত। এত চুরি-দুর্নীতি করেছে এবং একটা সমস্যারও সমাধান করতে পারেনি সেই সরকারের ক্ষমতায় থাকার কারণ নেই। সে কারণে আমরা বলেছি যে, একটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার অথবা একটা নিরপেক্ষ সরকার এবং নির্দলীয় সরকারকে দায়িত্ব দিতে হবে।

নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, বাংলাদেশের মানুষ দুইটা ইলেকশন দেখেছে—২০১৪ ও ২০১৮ সালে। আবার ওই জায়গায় ফেরত যাওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না। ২০১৮ সালে শেখ হাসিনা আমাদের ডেকেছিলেন সংলাপের জন্য। আমরা গিয়েছিলাম। মনে করেছিলাম আলোচনার মাধ্যমে যদি একটা অবস্থা তৈরি হয় সেই অবস্থায় আমরা যদি একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারি তাহলে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে পারবো।

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আইনমন্ত্রী পার্লামেন্টে কালকে বলেছেন, যখন নির্বাচন চলবে, নির্বাচন কমিশনের সেই ক্ষমতা থাকবে যে, আর কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না বা কাউকে আটক করা যাবে না। এই কথা কে বিশ্বাস করবে?

তিনি বলেন, আমরা তো দুবার প্রতারণার স্বীকার হয়েছি। থার্ড টাইম এদেশের মানুষ আর প্রতারণার স্বীকার হবে না। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, তোমাদের এই সমস্ত কথায় কেউ ভুলবে না। কারণ কখনই তোমরা প্রমিজ রক্ষা করেনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।