যে হাটে বিক্রি হয় কোটি কোটি টাকার শুকনা মরিচ – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জুন ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যে হাটে বিক্রি হয় কোটি কোটি টাকার শুকনা মরিচ

সম্পাদক
জুন ১৩, ২০২৩ ১০:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শরীয়তপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের অধিকাংশ এলাকা পদ্মা ও মেঘনা নদীবেষ্টিত। প্রতিবছর বর্ষার পানিতে পলি জমে চরাঞ্চলের কৃষিজমি উর্বর হয়। তাই জেলার চরাঞ্চলগুলোয় মরিচ আবাদ করেন কৃষক। চলতি মৌসুমে শরীয়তপুরে ৬ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ করা হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছে ৯ হাজার ৯০৬ মেট্টিক টন।

কৃষক জানুয়ারি মাস থেকে চরাঞ্চলের জমিতে মরিচের আবাদ শুরু করেন। মে মাসজুড়ে জমি থেকে লাল রঙের পাকা মরিচ তুলে আনেন কৃষক। তারপর রোদে শুকিয়ে শুকনা মরিচ হয়। জুনের শুরু থেকে ওই মরিচ কৃষক মোল্যার হাটে বিক্রি করতে শুরু করেন। টানা নভেম্বর পর্যন্ত মোল্যার হাটে মরিচের বেচাকেনা চলবে। বর্তমানে প্রতি কেজি শুকনা মরচি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা দামে।

শুকনা মরিচ বিক্রির হাটকে কেন্দ্র করে মোল্যার হাটে কয়েকটি মসলা ভাঙানোর কল হয়েছে। হালিমা মসলা মিলের মালিক সুরুজ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, এখানকার মরিচের মান ভালো। তাই বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা হাট থেকে মরিচ কিনে মিলে গুঁড়া করেন। এতে এলাকায় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

ভেদরগঞ্জের চরসেনসাস এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান তিন বিঘা জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন। তাতে যে মরিচ উৎপাদিত হয়েছে, তা থেকে ১২০ কেজি মরিচ বিক্রি করার জন্য তিনি গত শনিবার মোল্যার হাটে নিয়ে আসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘১২০ কেজি মরিচ বিক্রি করে ৪২ হাজার টাকা পেয়েছি। দাম বাড়বে আশায় মরিচ রেখে দিয়েছি।’

যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষক, ক্রেতা ও বিক্রেতারা এখানে আসেন। চাঁদাবাজি ও অব্যবস্থাপনা না থাকায় মানুষ এখানে পণ্য বেচাকেনা করতে নিরাপদ বোধ করেন।

মোল্যার হাটের শুকনা মরিচের আড়তদার জাকির মোল্যা  বলেন, শরীয়তপুর ছাড়াও চাঁদপুর ও বরিশালের চরাঞ্চল থেকে এই হাটে মরিচ নিয়ে আসেন কৃষকেরা।

চরকুমারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোল্যা  বলেন, ‘৬৮ বছর আগে আমাদের বংশের মুরব্বিরা হাটটি প্রতিষ্ঠা করেন। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষক, ক্রেতা ও বিক্রেতারা এখানে আসেন। চাঁদাবাজি ও অব্যবস্থাপনা না থাকায় মানুষ এখানে পণ্য বেচাকেনা করতে নিরাপদ বোধ করেন।’

শরীয়তপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রবিআহ নূর আহমেদ  বলেন, জেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে মরিচ উৎপাদন বেশি হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকেরা। উৎপাদনের ভরা মৌসুমে মোল্যার হাটে সপ্তাহে ছয় থেকে আট কোটি টাকার শুকনা মরিচ কেনাবেচা হয়ে থাকে। ওই হাটের মরিচ বিভিন্ন মসলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কিনে নেওয়ায় কৃষকও ন্যায্য মূল্য পান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।