মানসম্মত বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ : নসরুল হামিদ – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জুন ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

মানসম্মত বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ : নসরুল হামিদ

সম্পাদক
জুন ১৩, ২০২৩ ১০:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা মাথায় রেখে সরকার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মানসম্মত বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, এটাই আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সাত দিনের মাথায় বিদ্যুতকে মোটামুটি একটি নিরবচ্ছিন্ন জায়গায় নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, কিছুদিন আগে দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ধারণা করেছিলাম ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সমাধান হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে সবার সহযোগিতায় মাত্র সাত দিনের মাথায় বিদ্যুতকে মোটামুটি একটি নিরবচ্ছিন্ন জায়গায় নিতে পেরেছি।

তিনি বলেন, কভিড ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে জ্বালানি ক্ষেত্র বিশাল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী জ্বালানি পাওয়ার ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে প্রতিটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত হয়েছে। জিনিসের দাম বেড়েছে। জ্বালানির দাম বেড়েছে। তার মধ্যে থেকেও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যেভাবে ব্যবস্থা করেছে, যেভাবে বিদ্যুৎ জ্বালানি নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য চ্যালেঞ্জগুলো সামনে রেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

জ্বালানিতে দেশজ গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সঞ্চালনকে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, ২০২৪ সাল নাগাদ ৪৬টি কূপ খননের মাধ্যমে দৈনিক ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে তিনটি চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। সেগুলো হল– রিল্যাইবেলিটি, এফোর্ডেবিলিটি এবং নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার এনার্জি পাওয়া। এজন্য কেবল অর্থ সংস্থান হলে হবে না। টেকনোলজি গুরুত্বপূর্ণ। সারাবিশ্বে প্রত্যেক দেশ জ্বালানি ব্যবস্থা কেমন হবে তা নতুনভাবে চিন্তা করছে। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়া থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাচ্ছে। তাদের প্রচুর জায়গা। বাংলাদেশের মত দেশে এটা করা কঠিন। স্টোরেজ ব্যাটারি করতে গেলে খরচ আরো বেড়ে যাবে। তবে সরকার চেষ্টা করছে অন্তত বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ শতাংশ যেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি করা যায়। সেটা মাথায় রেখে নেপাল থেকে ৭০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তির জন্য সবকিছু তৈরি করা হয়েছে। সঞ্চালন লাইন করে আরেকটি দেশের ভেতর দিয়ে এভাবে বিদ্যুৎ আনতে ৫ থেকে ৮ বছর সময় লাগে। কিন্তু এখানে জ্বালানি খরচ ২০ বছর একই থাকবে এ কারণে আনা হচ্ছে। ডিজেল, ফুয়েলের দামের তারতম্য হয়। এতে নিরবচ্ছিন বিদ্যুৎ দেওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। ভুটান থেকেও বিদ্যুৎ আনার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বাজেটের  ওপর আলোচনায় সরকারি দলের সংসদ সদস্য দীপঙ্কর তালুকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যে কারণে উন্নয়ন হয়েছে। পাহাড়ে কুকি চীন জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। সেনাবাহিনী বাহিনী গুড়িয়ে দিচ্ছে। উন্নয়নে বাধা হল অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি। পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা ও তাদের আইনের আওতায় আনা দরকার।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।