অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর বিষয়ে টুইটারের ব্যাখ্যা চায় অস্ট্রেলিয়া – দৈনিক মুক্ত বাংলা
ঢাকাশুক্রবার , ২৩ জুন ২০২৩
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি-ব্যবসা
  3. আইন ও আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরও
  6. ইসলাম ও ধর্ম
  7. কোভিট-১৯
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলা
  10. জেলার খবর
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. মি‌ডিয়া
  14. মু‌ক্তিযুদ্ধ
  15. যোগা‌যোগ

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর বিষয়ে টুইটারের ব্যাখ্যা চায় অস্ট্রেলিয়া

সম্পাদক
জুন ২৩, ২০২৩ ১২:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ::

টুইটার অধিগ্রহণের পর মাইক্রোব্লগিং প্লাটফর্ম টুইটারে বিভিন্ন পরিবর্তন এনেছেন ইলোন মাস্ক। সবচেয়ে নেতিবাচক মনে করা হচ্ছে কর্তৃপক্ষের যাচাই প্রক্রিয়ার বিবর্তনকে। বিষয়টি নিয়ে আগেও অভিযোগ ছিল বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি চড়াও হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা সংস্থা। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানোকে প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে মোকাবেলা করে, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশটি। বেঁধে দিয়েছে নির্দিষ্ট সময়সীমা। খবর বিবিসি।

অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন সেইফটি কমিশনারের দাবি, অনলাইন প্লাটফর্মের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ রয়েছে টুইটারের বিরুদ্ধে। এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য প্লাটফর্মটিকে ২৮ দিন সময় দেয়া হয়েছে। না হলে কয়েক লাখ ডলার জরিমানা দিতে হতে পারে প্লাটফর্মটিকে, যা সর্বোচ্চ ৭ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

নিরাপত্তা সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইনমান গ্র্যান্ট দাবি করেন, টুইটার অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারছে না। আমরা তাদের প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত। আগের অনেক নিষিদ্ধ অ্যাকাউন্টও পরবর্তী সময়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে, ঘৃণা ছড়িয়ে চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অস্ট্রেলিয়া ও বাইরের দেশে বিস্তৃত হচ্ছে নয়া নাৎসি মতবাদ। লিঙ্গবৈষম্য ও বর্ণবৈষম্যের মতো বিষয়গুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে প্লাটফর্মটিকে আশ্রয় করে।

২০২২ সালে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে টুইটার কিনেছিলেন ইলোন মাস্ক। অধিগ্রহণের পর মাইক্রোব্লগিং প্লাটফর্মটিতে বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। অথচ অস্ট্রেলিয়ায় অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর সবচেয়ে বেশি অভিযোগ টুইটারকেন্দ্রিক এমনটাই দাবি জুলি ইনমান গ্র্যান্টের। যদিও টুইটারের ব্যবহারকারী টিকটক, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের চেয়ে কম। অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা সংস্থার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে আরো জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথাও জানানো হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে টুইটারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। চলতি মাসেই এলা ইরউইন টুইটারের ঊর্ধ্বতন পদ থেকে পদত্যাগ করেছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইয়োয়েল রোথও পদত্যাগ করেন।

টুইটারের হেড অব ট্রাস্ট অ্যান্ড সেইফটি বিভাগের কাজ কনটেন্টের ওপর নজরদারি করা। ইলোন মাস্কের হাতে মালিকানা যাওয়ার পর এ বিভাগ নিয়ে আলোচনা বেড়েছে। তবে ইরউইন জনসম্মুখে টুইটার ত্যাগের কথা প্রকাশ করেননি। তবে তার সিদ্ধান্তের বিষয়ে কিছুটা অনুমান করতে পেরেছেন বিশ্লেষকরা। মূলত কন্টেন্ট যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে মন্তব্যের পরই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন ইরউইন।

সম্প্রতি টুইটারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে মাস্কের স্থলাভিষিক্ত হন লিন্ডা ইয়াকারিনো। মাস্ক প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করেন। ইরউইন পদত্যাগ করার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই টুইটারের মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর ব্যাপারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গৃহীত নীতিমালা শিথিল করে। গত বছর টুইটার অধিগ্রহণের পর মাস্ক প্রায় ৭৫ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করেছেন। তাদের মধ্যে নজরদারি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও ছিল। ফলে বদলে গেছে কোম্পানির পর্যবেক্ষণ ও নজরদারির ধরন। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও সরে যেতে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠানকে ধরে রাখতে ও ব্যবসা বাড়াতে এনবিসিইউনিভার্সালে সফলতা দেখানো ইয়াকারিনোকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন টেসলাপ্রধান মাস্ক। যদিও টুইটারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নতুন প্রধান কীভাবে মোকাবেলা করবেন সে বিষয়ে কোম্পানি সূত্রে কিছু জানা যায়নি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।